বিদেশি পেমেন্ট নিয়ে বিরাট বদল! ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়মে কী প্রভাব পড়বে আপনার উপার্জনে?

আমেরিকা, ব্রিটেন বা অন্য কোনো দেশের ক্লায়েন্টের কাজ করে যাঁরা ভারতে বসে ডলারে বা পাউন্ডে পেমেন্ট পান, তাঁদের জন্য রয়েছে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। এবার থেকে বিদেশি গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণকারীদের জন্য কেবল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা থাকলেই চলবে না, বরং তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব এবং আইনি রেকর্ড রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৈদেশিক আয় ও পরিষেবা রপ্তানির ক্ষেত্রে কড়াকড়ি বাড়াল প্রশাসন।
চলতি মাসের ১ তারিখ অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে পরিষেবা রপ্তানির ক্ষেত্রে ‘এক্সপোর্ট ডিক্লারেশন ফর্ম’ বা ইডিএফ (EDF) ঘোষণা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দেশের স্বাধীন পেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজিটাল এজেন্সি, সফটওয়্যার ও আইটি পেশাজীবী এবং বিভিন্ন ডিজাইনারদের ওপর।
নতুন নিয়মে কী কী মানতে হবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সরাসরি কোনো নতুন কর বা ট্যাক্স নয়, তবে পেমেন্টের প্রসেসিং এবং রেকর্ড রাখার নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী—
-
বিদেশি গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিটি পেমেন্টের ইনভয়েস, নির্দিষ্ট পরিষেবা এবং ব্যাংকের পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্ত রেকর্ড সুরক্ষিত রাখতে হবে।
-
অক্টোবর মাসের ইনভয়েস বা হিসাব জমা দেওয়ার জন্য ইডিএফ-এর শেষ তারিখ ধার্য করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর, ২০২৬।
ডিজিটাল অর্থনীতির এই যুগে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট স্রষ্টাদের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি আয়ের সঠিক হদিশ রাখতে সরকারের এই নতুন ইডিএফ ব্যবস্থা আগামী দিনে ডিজিটাল পেমেন্ট ও ট্যাক্স ফাইলিংয়ের প্রক্রিয়াকে আরও সুনির্দিষ্ট করবে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।