স্বাভাবিকের চেয়ে ১২ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত! বর্ষার বিদায়বেলায় বড় উদ্বেগের ছবি সামনে আসতেই শোরগোল!

দেশের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বা বর্ষার মরশুম আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েছে। তবে বিদায়বেলায় যে আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য সামনে এসেছে, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দেশের কৃষি ও জলসম্পদ মহলে। আবহাওয়া দপ্তরের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বছর গোটা দেশে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খরা ও চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে মেঘালয় এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলিতে ঘাটতি বৃষ্টির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। ধানের ফলন থেকে শুরু করে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর—সবক্ষেত্রেই এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বর্ষার ঘাটতির প্রধান দিকগুলি:
-
বৃষ্টির ঘাটতি: সারা দেশে সামগ্রিক বর্ষার মরশুমে স্বাভাবিকের থেকে ১২ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা কৃষি অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
-
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা: উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কম ছিল, যার মধ্যে পাঞ্জাব ও মেঘালয়ের নাম বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
-
কৃষির ওপর প্রভাব: সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে শীতকালীন রবি শস্যের চাষ এবং সেচ কাজের খরচ নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
বর্ষার এই অনিয়মিত ও কম বৃষ্টিপাতের ফলে আগামী দিনে দেশের জলসংকট এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।