মুম্বইয়ের গ্ল্যামার ছেড়ে কোথায় ছুটি কাটান সেলেবরা? অন্দরের ছবি দেখলে চমকে যাবেন!

মুম্বইয়ের চকমক করা আলো, প্যাপিরাজি আর অন্তহীন কাজের চাপ থেকে একটু নিশ্বাস নিতে বলিউড তারকারা ঠিক কোথায় হারিয়ে যান? উত্তরটা হলো গোয়া। সমুদ্রের হাওয়া, রোদ আর বালিমাখা এই উপকূলবর্তী রাজ্যটি বহু দিন ধরেই তারকাদের অন্যতম প্রিয় ঠিকানা। তবে শুধু হোটেল বা রিসর্ট নয়, নিজেদের পছন্দমতো সাজিয়ে তোলার জন্য খোদ গোয়াতেই বিশাল সব প্রপার্টি কিনে রেখেছেন বি-টাউনের প্রথম সারির তারকারা। পর্তুগিজ স্থাপত্যের ছোঁয়া থেকে শুরু করে রঙিন কান্ট্রিহাউস— তারকাদের এই গোপন আস্তানাগুলোর অন্দরমহল দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যেতে বাধ্য।

তালিকায় সবার প্রথমে রয়েছে অক্ষয় কুমার এবং টুইঙ্কেল খান্নার নাম। গোয়ার আঞ্জুনায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের একটি পর্তুগিজ স্টাইলের হলিডে ভিলা রয়েছে এই জুটির। চারপাশের সবুজ আর ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের ছোঁয়া মেশানো এই বাড়িটি তাঁদের কাছে একান্তে সময় কাটানোর সবচেয়ে বড় ভরসা। ব্যস্ত শুটিং ফ্লোর থেকে দূরে একেবারে নিভৃতে দিন কাটাতে এই জুটির জুড়ি মেলা ভার।

অন্যদিকে, অভিনেতা আরশাদ ওয়ার্সি এবং তাঁর স্ত্রী মারিয়া গোরেত্তি বেছে নিয়েছেন একেবারে অন্যরকম এক হেরিটেজ প্রপার্টি। সালিগাওতে প্রায় দেড়শো বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী পর্তুগিজ ভিলা কিনে তা সংস্কার করেছেন তাঁরা। উঁচু ছাদ, পুরোনো দিনের কাঠের কাজ আর ঔপনিবেশিক আমলের ছোঁয়া অক্ষুণ্ণ রেখেই সাজানো হয়েছে ‘কাসা জেন’ নামের এই বাড়িটি। রঙিন অন্দরমহল, নানা রকমের গাছপালা আর শান্ত পুলসাইড এলাকা এই বাড়ির আকর্ষণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ক্রিকেট ময়দান থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজের মতো করে জীবন কাটাচ্ছেন তারকা ক্রিকেটার যুবরাজ সিং। মরজিম এলাকায় তাঁর তৈরি ‘কাসা সিং’ নামের হলিডে হোমটি যেন রঙের এক উৎসব। উজ্জ্বল নীল দেওয়াল, ট্রপিক্যাল গাছপালা আর সুইমিংপুলের পাশাপাশি এই বাড়িতে রয়েছে তাঁর বর্ণময় ক্রিকেট জীবনের নানা ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন।

পিছিয়ে নেই অজয় দেবগন এবং কাজলও। উত্তর গোয়ায় তাঁদের পর্তুগিজ ঘরানার এই বিলাসবহুল ভিলাটিতে রয়েছে পাঁচটি বেডরুম। নিজস্ব স্টাইলে সাজানো এই প্রপার্টিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে এক দারুণ ছিমছাম পরিবেশ। সাধারণ মানুষের জন্য সাময়িকভাবে দরজা খুলে দেওয়া এই বিলাসবহুল ভিলাটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ চর্চায় রয়েছে। সব মিলিয়ে, তারকাদের এই গোপন আস্তানাগুলোর আকর্ষণ সাধারণ মানুষের কাছে সবসময়ই এক ভিন্ন মাত্রার কৌতূহল তৈরি করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *