৮th Pay Commission: ন্যূনতম বেতন ৬৯ হাজার থেকে ৭২ হাজার টাকা! অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে সামনে এল দুর্দান্ত খবর

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মরত কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ের দিকে এগোচ্ছে অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission)। কমিশন গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে, যা বর্তমানে আরও গতি পেয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে চেন্নাই, পুদুচেরি ও চণ্ডীগড়ে সফল বৈঠকের পর এবার অক্টোবর মাসে বেঙ্গালুরু এবং মুম্বাইতে পরবর্তী দফার আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে।
অষ্টম বেতন কমিশনের এই পরামর্শ প্রক্রিয়ার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ন্যূনতম বেতন, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন সংস্কার এবং নতুন বেতন কাঠামো। ইতিমধ্যে দেশের প্রধান দুটি কর্মচারী সংগঠন—’ন্যাশনাল কাউন্সিল-জয়েন্ট কনসালটেটিভ মেশিনারি’ (NC-JCM) এবং ‘ভারতীয় প্রতিরক্ষা মজদুর সংঘ’ (BPMS)—তাদের বিস্তারিত দাবি-দাওয়া সম্বলিত প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে।
কর্মচারী ইউনিয়নগুলির প্রধান দাবিগুলি এক নজরে:
ন্যূনতম মূল বেতন: NC-JCM ন্যূনতম মূল বেতন ৬৯,০০০ টাকা করার অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি তারা ৩.৮৩৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং বর্তমান ৩%-এর পরিবর্তে বার্ষিক ৬% ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার দাবি তুলেছে। অন্যদিকে, বিপিএমএস (BPMS)-এর পক্ষ থেকে ন্যূনতম মূল বেতন ৭২,০০০ টাকা এবং ৪-এর ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
মজুরি গণনার নতুন পদ্ধতি: মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইসিএমআর (ICMR)-এর পুষ্টি-ভিত্তিক মানদণ্ড এবং মাথাপিছু নিট জাতীয় আয়ের ৮৬.৭৬% বৃদ্ধির হারকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে ইউনিয়নগুলি। এছাড়া মজুরি গণনার ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩ থেকে বাড়িয়ে ৫-এ উন্নীত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মতামত সংগ্রহ করছে। যদিও ইউনিয়নগুলির প্রস্তাবিত এই অঙ্কগুলিকে চূড়ান্ত বলে ধরা হচ্ছে না, তবুও মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কথা মাথায় রেখে অষ্টম বেতন কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ এবং সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন দেশের কোটি কোটি কর্মীর নজর আটকে রয়েছে।