রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে নির্যাতন! এনকাউন্টার করে কুখ্যাত অপরাধীকে ধরল পুলিশ

বিহারের জামুই জেলায় জাতীয় সড়কের ধার থেকে এক নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে জঙ্গল ও পাহাড়ঘেরা নির্জন এলাকায় রেখে যৌন হেনস্থা করার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদবকে ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে তার মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। পুলিশি এনকাউন্টারে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই কুখ্যাত অপরাধী।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটা এই লোমহর্ষক ঘটনার একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরেই নড়েচড়ে বসে বিহার পুলিশ। ভাইরাল হওয়া ওই ফুটেজে দেখা যায়, রাতেরবেলা জাতীয় সড়কের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা এক কিশোর ও কিশোরীকে ঘিরে ধরে একদল দুষ্কৃতী। কিশোরীকে জোর করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার সময় সে আত্মরক্ষার জন্য চিৎকার করতে থাকে। কিন্তু ঘটনাস্থলে উপস্থিত পথচারীরা কেউ তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।

ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত নন্দন যাদব এবং হরেরাম যাদব সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত নন্দন এলাকার এক কুখ্যাত অপরাধী এবং তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে পালানোর সময় সে পুলিশের ওপর হামলা চালায়, যার জেরে পুলিশ বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়।

ঘটনার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ওই আপত্তিকর ভিডিয়োটি মুছে ফেলার কঠোর নির্দেশ জারি করেছে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সাইবার থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য সিআইডি-র একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *