জোড়াফুল কার হাতে থাকবে? উপনির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের দরজা থেকে বেরিয়ে যা জানালেন কল্যাণ!

দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপের মাঝেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে ফেলল ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ শিবির। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে শনিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক করেন তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, তাঁরা কমিশনের সামনে দলের সমস্ত আইনি যুক্তি ও বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

এদিন প্রথমে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে এবং পরবর্তীতে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বৈঠক শেষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা ঠিক কী কী যুক্তি দিয়েছেন তা প্রকাশ্যে পুনরাবৃত্তি করতে চাননি। তবে গোটা বিষয়টি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন খুব শীঘ্রই একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ (Interim Order) দিতে পারে বলে তাঁর জোরালো অনুমান। সেই নির্দেশ হাতে আসার পরই পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ ঠিক করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের দাবি, তাঁরা প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন এবং কমিশন আরও কিছু নথি চেয়েছে। তবে প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্বে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনের আগে চূড়ান্ত কোনো ফয়সালা হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা চলছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটি ফ্রিজ বা স্থগিত করে দিয়ে দুই পক্ষকেই সাময়িকভাবে আলাদা নাম ও প্রতীক দিয়ে উপনির্বাচন লড়ার নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। এখন চূড়ান্ত ফয়সালার অপেক্ষায় গোটা রাজ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *