৫ বছর আগের সংঘর্ষের ঘটনায় বড় মোড়! পুলিশি পদক্ষেপ এড়াতে মরিয়া কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেলেন কতখানি স্বস্তি?

পাঁচ বছর আগের একটি পুরনো রাজনৈতিক সংঘর্ষের মামলা ঘিরে ফের চরম অস্বস্তিতে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২০ সালের একটি হামলার ঘটনায় বিজেপি নেতা তথা তাঁর প্রাক্তন জামাই কবীরশঙ্কর বসুর দায়ের করা নতুন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি তৎপরতা শুরু হতেই গ্রেফতারির আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রবীণ এই সাংসদ।
বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটির প্রাথমিক শুনানি হলেও কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ আসেনি। তবে কল্যাণের আইনজীবীর দাবি অনুযায়ী, আপাতত তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও ‘কড়া পদক্ষেপ’ না-করার বিষয়ে আদালতের মৌখিক নির্দেশ রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টেয় এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে। সেখানে আদালতের পরবর্তী নির্দেশ কী হয়, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর কবীরশঙ্কর বসুর বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল একদল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর চলতি মাসের শুরুতে সেই পুরনো ঘটনায় শ্রীরামপুরে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন কবীরশঙ্কর। এই অভিযোগে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বেশ কয়েকজন স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলরের নাম রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ আকাশ পাত্র নামের এক কর্মীকে গ্রেফতারও করেছে। ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক বিরোধের এই জটিল সমীকরণে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।