জমে উঠেছে ডেলিভারি ও রাইড শেয়ারিংয়ের বাজার! চাকরি ছেড়ে কেন এই পেশার দিকে ঝুঁকছেন যুবসমাজ?

তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কর্মসংস্থানের রূপ পুরোপুরি বদলে গেছে। উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে গিগ ওয়ার্ক (Gig Work) মডেল তরুণ প্রজন্মের কাছে আয়ের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। জোম্যাটো (Zomato), সুইগি (Swiggy) এবং র্যাপিডো (Rapido)-র মতো জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলির কল্যাণে লখনউয়ের কর্মসংস্কৃতিতে এসেছে এক নতুন বিপ্লব।
কাজের স্বাধীনতা ও উপার্জনের সুযোগ
ঐতিহ্যবাহী চাকরির বাঁধাধরা সময় থেকে বেরিয়ে এসে তরুণরা এখন নিজেদের সুবিমত সময়ে কাজ করার স্বাধীনতা পাচ্ছেন। মোবাইল অ্যাপের সামান্য ক্লিকেই মিলছে কাজ। এই ব্যবস্থার সুবাদেই শহরটির হাজার হাজার যুবক নিজেদের দক্ষতার ভিত্তিতে স্বচ্ছলতার মুখ দেখছেন।
খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থাগুলির ডেলিভারি পার্টনার অভয় কুমার জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা কঠোর পরিশ্রম করে অনায়াসে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। অন্যদিকে, র্যাপিডো চালক ইমরান ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা কাজ করে প্রতিদিন ১০-১২০০ টাকা ঘরে তুলছেন।
কেন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই মডেল?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গিগ ইকোনমি মডেলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো কাজের নমনীয়তা বা ফ্লেক্সিবিলিটি। এখানে নির্দিষ্ট কোনো বসের কড়াকড়ি বা টাইম বাউন্ডিং থাকে না। কর্মীরা তাঁদের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী যখন খুশি কাজ শুরু করতে পারেন এবং প্রয়োজনমতো তা বন্ধও করতে পারেন। প্রথাগত চাকরির খরা কাটিয়ে লখনউয়ের যুবসমাজের কাছে এই ব্যবস্থা এখন আত্মনির্ভর হয়ে ওঠার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।