সিলিন্ডারের যুগ শেষ? বাড়ি বাড়ি পাইপগ্যাস আসতেই মিলবে অভাবনীয় সুবিধা, জানুন খুঁটিনাটি!

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বুক করা এবং তা সময়মতো ঘরে পৌঁছানো নিয়ে দুশ্চিন্তার দিন এবার শেষ হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বাড়ি বাড়ি পাইপের সাহায্যে গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে পিএনজি (PNG) বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজ জোরকদমে শুরু হয়েছে। এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের ঝামেলা এড়িয়ে মানুষ যাতে খুব সহজেই পিএনজিতে শিফট করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
পাইপগ্যাস বা পিএনজির প্রধান সুবিধাগুলি
-
সিলিন্ডার ফুরোনোর টেনশন নেই: পিএনজি গ্যাস ব্যবহার করলে সিলিন্ডার ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকবে না। ফলে বারবার গ্যাস বুক করা কিংবা ডেলিভারির অপেক্ষায় থাকার ঝক্কি চিরতরে ঘুচবে।
-
মিটার অনুযায়ী বিল প্রদান: ঠিক যেমন বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বাড়িতে মিটার থাকে এবং যতটুক ব্যবহার করবেন ঠিক ততটুকুই দাম দিতে হয়, পাইপগ্যাসের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। আপনি মাসে যতটা গ্যাস ব্যবহার করবেন, ঠিক ততটুকুই বিল দিতে হবে।
-
নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ: রান্না করার মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ার মতো চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতি আর পোহাতে হবে না।
কারা পাবেন এই পিএনজি কানেকশন?
কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিশেষ স্কিমটির নাম ‘ইনসেনটিভ স্কিম ফর প্রমোশন অফ ডোমেস্টিক পিএনজি কানেকশন’। বর্তমানে দেশজুড়ে এই পিএনজি কানেকশনের সংখ্যা প্রায় ১.৭৪ কোটি। তবে সবাই বিনামূল্যে এই সংযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এই নতুন স্কিমটি মূলত শহরাঞ্চলে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনকারী কোম্পানিগুলোকে আরও বেশি মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিতে উৎসাহিত করার জন্য আনা হয়েছে। ফলে আপনি পিএনজি কানেকশন পাবেন কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার এলাকায় এই পরিষেবা বর্তমানে উপলব্ধ রয়েছে কি না তার ওপর।