গভীর রাতে ফাঁকা বাড়িতে গৃহবধূকে একা পেয়ে চরম অত্যাচার! যুবকের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ উঠল

রাতে ফাঁকা বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে এক গৃহবধূর ওপর পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানা এলাকায় এই ভয়ংকর ঘটনাটি ঘটেছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নির্যাতিতা গৃহবধূ ও তাঁর পরিবার। ঘটনার পরই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে কুলতলি থানার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে যখন বাড়িতে কেউ ছিলেন না, সেই সুযোগেই ওই প্রতিবেশী যুবক গৃহবধূর বাড়িতে আসে এবং তাঁকে দরজা খুলতে বলে। অভিযোগ, গৃহবধূ দরজা খোলা মাত্রই ওই যুবক তাঁর মুখ চেপে ধরে জোর করে ঘরের ভেতরে টেনে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকি পুরো ঘটনার কথা যদি কাউকে জানানো হয়, তবে স্বামী ও সন্তানকে খুন করা হবে বলেও অভিযুক্ত হুমকি দেয় বলে দাবি করেছেন নির্যাতিতা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে নির্যাতিতা গৃহবধূ জানান, ‘‘রাত তখন সাড়ে এগারোটা বাজে। আমার পরিচিত দেওর ডেকেছিল আমায় ভেবে আমি দরজাটা খুলেছিলাম। দরজা খুলতেই সে আমার মুখ চেপে ধরে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর বলতে থাকে যে চিৎকার করলে মেরে ফেলবে। তারপর আমার ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায়। ঘরে আমার ছোট বাচ্চা ছিল, তাই ভয়ে সঙ্গে সঙ্গে কাউকে কিছু বলতে পারিনি। পরে স্বামীকে ফোনে সবটা জানাই। এখন পুলিশে খবর দিয়েছি। অভিযুক্ত আমাকে বারবার হুমকি দিয়ে বলেছিল, এই ঘটনা কাউকে জানালে খুন করে ফেলবে।’’
ঘটনার পরই নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে কুলতলি থানায় একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এই জঘন্য ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।