২০২৯-এ প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন থলপতি বিজয়? দক্ষিণী সুপারস্টারের বড় পদক্ষেপে তুমুল রাজনৈতিক কোন্দল!

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় সুপারস্টার তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার দাবিকে কেন্দ্র করে তাঁর দল তামিলগা ভেত্রী কাজগম (TVK) এবং জোটসঙ্গী কংগ্রেসের মধ্যে টানাপোড়েন চরমে পৌঁছেছে।

কী নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক? সম্প্রতি টিভিকি (TVK) দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা ও সমর্থকরা দাবি তোলেন যে, ২০২৯ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত থলপতি বিজয়ের। এমনকি এই মর্মে বিভিন্ন পোস্টারও সামনে আসে। দলের মন্ত্রী কেএ সेंगोट्टैयन (K.A. Sengottaiyan) এই অবস্থানকে সমর্থন করে জানান যে, তামিলনাড়ুর মানুষ বিজয়ের ওপর পূর্ণ ভরসা রেখেই তাঁকে ম্যান্ডেট দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলের বিধায়ক কনিমোহরি সন্তোষ আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন যে, রাহুল গান্ধী অতীতে বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী বানাতে সাহায্য করলেও ২০২৯ সালে তিনিই বিজয়কে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাবেন।

কংগ্রেসের হুংকার: এদিকে, টিভিকির এই একক আধিপত্যের দাবির পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে রাজ্য কংগ্রেস। কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে মেনে না নিলে তারা বিজয়ের মন্ত্রিসভা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে পদত্যাগ করবে। তামিলনাড়ুর পর্যটনমন্ত্রী এস রাজেশ কুমার এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বি মানিকম টেগরের এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রবল জল্পনা শুরু হয়েছে।

বর্তমানে গঠিত টিভিকি নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকারে কংগ্রেসের পাঁচজন বিধায়ক সহ অন্যান্য শরিক দলও যুক্ত রয়েছে। তবে জন্মলগ্ন থেকেই চমক দেখানো বিজয়ের দলের এই নতুন রাজনৈতিক উচ্চাশা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে ভবিষ্যতে কোন মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *