অক্ষয়-প্রিয়াঙ্কার গোপন সম্পর্কের জেরে কি ভাঙতে বসেছিল টুইঙ্কেলের সংসার? বিস্ফোরক সত্যি ফাঁস করলেন নামী প্রযোজক!

অক্ষয়-প্রিয়াঙ্কার সম্পর্কের জেরে ভাঙতে বসেছিল টুইঙ্কেলের সংসার? বিস্ফোরক সত্যি ফাঁস নামী প্রযোজক!

বলিউডের গসিপ করিডোরে আজও অন্যতম আলোচিত ও চর্চিত অধ্যায় হলো অক্ষয় কুমার ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রি এবং অফ-স্ক্রিনের সম্পর্কের গুঞ্জন। দীর্ঘ সময় পর সেই পুরোনো বিতর্ক এবং তার জেরে তৈরি হওয়া বক্স অফিসের সঙ্কটের নেপথ্য কাহিনি প্রকাশ্যে এনে বলিপাড়ায় হুলস্থূল ফেলে দিয়েছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক সুনীল দর্শন।

সম্প্রতি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে সুনীল দর্শন দাবি করেছেন যে, প্রিয়াঙ্কা ও অক্ষয়ের বাড়তে থাকা ঘনিষ্ঠতার জেরে একসময় অক্ষয়ের সংসারে মারাত্মক ঝড় উঠেছিল। ২০০৫ সালের আলোচিত ছবি ‘বরসাত’-এর জন্য প্রিয়াঙ্কা ও অক্ষয়কে নিয়ে তাঁরা ইতিমধ্যেই টাইটেল গানের শুটিং সেরে ফেলেছিলেন। কিন্তু অন্য কাজের সূত্রে কয়েক মাসের বিরতির পর যখন শুটিং পুনরায় শুরু হওয়ার কথা, তখনই ঘটে বিপত্তি। অক্ষয় কুমার হঠাৎই ছবির শুটিং স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান। কিন্তু ১০০ জনের শুটিং ইউনিট রেডি থাকা অবস্থায় শুটিং পিছিয়ে দেওয়া পরিচালকের পক্ষে অসম্ভব ছিল।

সুনীল দর্শন স্পষ্ট ভাষায় জানান, ততদিনে বাজারে নানা গুঞ্জন চাউর হয়ে যাওয়ায় তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন যে অক্ষয় ও প্রিয়াঙ্কাকে একসঙ্গে আর কাস্ট করা যাবে না। একসঙ্গে কাজ চালিয়ে গেলে অক্ষয়ের পরিবারে তার মারাত্মক প্রভাব পড়ত। তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন বিবাহিত মানুষের আরও অনেক বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত, যেখানে প্রিয়াঙ্কা তখন অবিবাহিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই অক্ষয়ের পরিবর্তে ববি দেওলকে ছবিতে কাস্ট করা হয়।

এর আগে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারে সুনীল দর্শন আরও মারাত্মক এক তথ্য ফাঁস করে জানিয়েছিলেন যে, অক্ষয় ও প্রিয়াঙ্কার সম্পর্কের গুঞ্জন চাউর হতেই নাকি অভিনেতার স্ত্রী টুইঙ্কেল খান্না রেগে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন! ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহল সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকায় টুইঙ্কেল খুব ভালোভাবেই জানতেন ভেতরে কী চলছে। পুরোনো সেই বিতর্কের পাতা উল্টে পরিচালক জুটির এই রসায়ন ও কেচ্ছার চর্চা এখন ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।

Rick Sarkar
  • Rick Sarkar

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *