‘প্রথমবার ভোট দিয়ে মহিলারা কী খেতে পারেন যা পুরুষরা পারে না?’ দেবের এই গুগলিতে থমকে গেলেন দেবস্মিতা! আপনি জানেন কি উত্তর?

ছোটপর্দার জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দাদাগিরি’-র সঞ্চালনায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জুতোয় পা গলানোর পর থেকেই নানা চমক দিচ্ছেন অভিনেতা দেব। নিজের শতভাগ উজাড় করে দিয়ে তিনি যেমন শোকে মাতিয়ে রাখছেন, তেমনই তাঁর নিত্যনতুন ও মজার গুগলি প্রতিযোগীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। সম্প্রতি তেমনই একটি বুদ্ধিমত্তার প্রশ্ন ঘিরে জমজমাট হয়ে উঠল দাদাগিরির মঞ্চ, যা এখন নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।

কী ছিল সেই গোলমেলে প্রশ্ন?
মঞ্চে গান গেয়ে উপস্থিত সকলের মন জয় করা জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দেবস্মিতাকে একটি বেশ মজার ধাঁধা ছুঁড়ে দেন সঞ্চালক দেব। প্রশ্নটি ছিল, ‘প্রথমবার ভোট দেওয়ার পর মহিলারা আইনত কী খেতে পারে, যা পুরুষরা আইনত পারে না?’ এই প্রশ্ন শুনেই একেবারে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান দেবস্মিতা। উত্তর মেলাতে না পেরে তিনি কার্যত হাল ছেড়ে দেন।

অর্জুন বিজয়ী সাঁতারুর তাক লাগা জবাব:
দেবস্মিতা না পারলেও আসরে নামেন অপর প্রতিযোগী, দেশের প্রথম অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত বাঙালি সাঁতারু প্রশান্ত কর্মকার। লজিক খাটিয়ে তিনি উত্তর দেন— ‘শাদি কা লাড্ডু’ অর্থাৎ আইবুড়ো ভাত। প্রশান্তবাবু বুঝিয়ে দেন, ভারতে ১৮ বছর বয়স হলেই মেয়েরা যেমন প্রথম ভোট দিতে পারেন, তেমনই তাঁদের আইনি বিয়ের বয়সও হয়ে যায়। কিন্তু ছেলেরা ১৮-য় ভোট দেওয়ার অধিকার পেলেও তাঁদের বিয়ের আইনি বয়স ২১ বছর।

হুবহু উত্তর না হলেও লজিক একদম সঠিক থাকায় দেব খুশি হয়ে প্রশান্তকে পুরো বারো পয়েন্ট উপহার দেন। পরে দেবস্মিতা নিজেই স্বীকার করেন যে উত্তরটি আসলে ‘আইবুড়ো ভাত’-এর কথাই নির্দেশ করছিল। দেবও বুঝিয়ে দেন, মেয়েরা ১৮ বছরেই ভোট ও বিয়ের সুযোগ পেলেও ছেলেরা সেই বয়সে আইবুড়ো ভাত খাওয়ার আইনি অধিকার পান না।

নেটপাড়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন:
মঞ্চে আইবুড়ো ভাতের এই সহজ ও মজার ব্যাখ্যা দিয়ে হাসির রোল তুললেও, এই পর্বটি সম্প্রচারিত হতেই ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে খোদ সঞ্চালককেই। ৪৩ বছর বয়সি এই তারকা অভিনেতা এখনও পর্যন্ত অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে সম্পর্কে থাকলেও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। তাই নেটিজেনদের একটাই প্রশ্ন, ‘সবাইকে তো আইবুড়ো ভাতের লজিক শেখালেন দেবদা, এবার আপনি নিজে কবে খাচ্ছেন?’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *