নদীয়া কাঁপল নৃশংস হত্যাকাণ্ডে! কংগ্রেস নেতা ও ছেলেকে কুপিয়ে খুন, জেল থেকেই কি তবে বড় চাল তৃণমূল নেতার?

নদীয়ার মাটি রক্তে ভিজে যাওয়ার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে এখন চরম উত্তাল পরিস্থিতি। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে এক কংগ্রেস নেতা ও তাঁর তরুণ ছেলেকে। চাঞ্চল্যকর এই জোড়া খুনের তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে জেলবন্দি এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার সরাসরি চক্রান্ত রয়েছে বলে জোরালো অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
ঠিক কী ঘটেছিল নদীয়া জুড়ে?
গত কয়েক দিন ধরেই নদীয়ার এই রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও চরম হিংসার ঘটনায় তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য-রাজনীতি। রাতের অন্ধকারে সুপরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে কংগ্রেস নেতা ও তাঁর ছেলেকে অত্যন্ত নির্মমভাবে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে দাবি করে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছে বিরোধীরা।
জোড়া গ্রেপ্তারি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
তদন্তে নেমে পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের জেরা করে এই নৃশংসতার মূলে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তবে এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে অন্য রহস্য রয়েছে বলে দাবি কংগ্রেস শিবিরের। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অভিযোগ করা হয়েছে, জেলবন্দি থাকা অবস্থাতেই এক তৃণমূল নেতা এই ভয়ঙ্কর চক্রান্তের ছক কষেছিলেন এবং তাঁর নির্দেশেই এই কাণ্ড ঘটেছে।
উত্তপ্ত রাজনীতি ও ভবানী ভবন অভিযান
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের দ্রুত কঠোর শাস্তির দাবিতে এবার সরাসরি মাঠে নেমেছে কংগ্রেস। রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠার পাশাপাশি আজই রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। নদীয়ার এই মর্মান্তিক জোড়া খুন এবং নেপথ্য ষড়যন্ত্রের সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে গোয়েন্দা প্রধানের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচি নিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
ঘটনার আকস্মিকতা এবং রাজনৈতিক তরজায় এই মুহূর্তে গোটা নদীয়া জেলা তথা রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে হাজারো প্রশ্ন তুলে এখন দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে।