ITBP-তে ২৮২টি শূন্যপদে ডাক্তার নিয়োগ! সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে মিলবে সরকারি চাকরি, জানুন বিশদ

দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ও চিকিৎসা পেশায় কেরিয়ার গড়তে ইচ্ছুকদের জন্য এক দুর্দান্ত সুযোগ নিয়ে এল ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনী (ITBP)। বিএসএফ, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, এসএসবি এবং আসাম রাইফেলসের মতো দেশের প্রধান কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীগুলিতে ডাক্তার নিয়োগের উদ্দেশ্যে মোট ২৮২টি মেডিকেল অফিসার গ্রুপ ‘এ’ শূন্যপদে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট, ২০২৬ থেকে শুরু হতে চলেছে এই পদের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া।

শূন্যপদের বিন্যাস ও গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:

আবেদনের সময়সীমা: আগামী ১০ আগস্ট, ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত। সার্ভারে শেষ মুহূর্তের চাপ ও প্রযুক্তিগত জটিলতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আবেদন সেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মোট শূন্যপদ: ২৮২টি পদ

সুপার স্পেশালিস্ট মেডিকেল অফিসার: ৫টি পদ

স্পেশালিস্ট মেডিকেল অফিসার: ১৬২টি পদ

মেডিকেল অফিসার: ১১৫টি পদ

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

মেডিকেল অফিসার: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি এবং বাধ্যতামূলক রোটেটিং ইন্টার্নশিপ সম্পূর্ণ করা থাকতে হবে।

স্পেশালিস্ট মেডিকেল অফিসার: এমবিবিএস ডিগ্রির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা থাকা আবশ্যক।

সুপার স্পেশালিস্ট মেডিকেল অফিসার: এমবিবিএস, স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি ডিএম (DM) বা এম.সিএইচ (M.Ch)-এর মতো সুপারস্পেশালিটি ডিগ্রি থাকতে হবে।

(উল্লেখ্য, সব প্রার্থীর জন্যই ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন বা এনএমসি কিংবা সংশ্লিষ্ট রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলে বৈধ নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক এবং ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থীরা এই পদের জন্য যোগ্য নন।)

বয়সসীমা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া:
পদ ভেদে এই নিয়োগে বয়সসীমা ভিন্ন ধার্য করা হয়েছে। সাধারণ মেডিকেল অফিসার পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর এবং স্পেশালিস্ট ও সুপার স্পেশালিস্ট পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ বছর নির্ধারিত হয়েছে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় এবং আকর্ষক দিকটি হলো—এতে কোনো লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে না। প্রথমে প্রার্থীদের শিক্ষাগত ও পেশাগত শংসাপত্র বা কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই (Document Verification) করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের সরাসরি ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে (Interview) ডাকা হবে। সাক্ষাৎকারের দিনই প্রার্থীদের উচ্চতা, বুকের মাপ এবং ওজন মাপা হবে। সবশেষে, সেনাবাহিনীর নির্ধারিত কঠোর মেডিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার মানদণ্ড সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *