‘অনেক ছোটো থেকেই রয়েছে…’, জেনেনিন কোন বদভ্যাস রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার?

বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চর্চিত ও জনপ্রিয় নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। প্রতিটি ছবিতেই তাঁর সাবলীল অভিনয় বরাবর দর্শকের নজর কাড়ে। তবে অনবদ্য অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নায়িকাকে নিয়ে ট্রোল ও সমালোচনার অন্ত নেই। কখনও তাঁর পোশাক নির্বাচন, তো কখনও আবার চড়া মেকআপ নিয়ে ট্রোলারদের নিশানা হন তিনি। যদিও এই সমস্ত নেতিবাচক সমালোচনাকে খুব একটা পাত্তা দিতে নারাজ খোদ অভিনেত্রী।

তবে একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, ঋতুপর্ণার একটি দীর্ঘদিনের পুরনো অভ্যাস রয়েছে—তা হলো কথায় কথায় চুলে হাত দিয়ে তা বারবার ঠিক করা। এই মুদ্রাদোষ নিয়ে টলিপাড়ায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা কম হয় না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এই বদভ্যাসের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

কী বললেন ঋতুপর্ণা?

পরিচালক চৈতি ঘোষালের ‘নেভারমাইন্ড’ কাজ নিয়ে আলোচনার মাঝেই নিজের এই অদ্ভুত অভ্যাসের কথা খোলসা করেন ঋতুপর্ণা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,

“মুদ্রাদোষ বা বদভ্যাস, অবশ্যই আমার চুলটা এরকম করা (চুলে হাত দিয়ে তা সেট করা)। এটা আমি জানি না, এটা মনে হয় করি চুলটা সেট আছে কি না। ক্যামেরার সামনে আসলে আমি অজান্তেই আরও সচেতন হয়ে যাই আর বারবার চুল সেট করি। এটা মনে হয় অনেক ছোটবেলা থেকেই আছে।”

টলিপাড়ার অন্দরে ঋতুপর্ণার এই অভ্যাস কারোরই অজানা নয়। তবে কথা বলার মাঝে বারবার চুল ঠিক করার এই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসতেই প্রায়ই তাঁকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। কেউ তাঁকে নিয়ে মশকরা করেন, আবার কেউ দাবি করেন ক্যামেরার সামনে লাইমলাইট বা দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই নাকি তিনি এমনটা করেন। যদিও অভিনেত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এটি একান্তই তাঁর অভ্যাসবশত ঘটে যাওয়া একটি বিষয়।

চুল নিয়ে অতিরিক্ত সচেতনতা

নিজের চুল নিয়ে বরাবরই একটু বেশি মাত্রায় সচেতন ঋতুপর্ণা। মেকআপ যেমনই হোক না কেন, চুলের বিশেষ যত্ন নিতে ভালোবাসেন তিনি। এই প্রসঙ্গে অতীতে একটি মজার ঘটনাও শেয়ার করেছিলেন নায়িকা।

একবার এক সাক্ষাৎকারে ঋতুপর্ণা জানিয়েছিলেন, মুম্বই এয়ারপোর্টে তাঁর ফ্লাইট ৪০ মিনিট দেরিতে ছিল। সেই অতিরিক্ত সময়টুকু নষ্ট না করে তিনি সোজা এয়ারপোর্টের ভেতরের একটি পার্লারে চলে যান এবং সেখানে গিয়ে চুলে শ্যাম্পু করে আসেন!

উল্লেখ্য, এর আগেও ‘নেভারমাইন্ড’ ছবির প্রিমিয়ারে বেগুনি রঙের টাইট পোশাক পরার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে ট্রোল-সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দিয়ে নিজের মতো করেই বাঁচতে পছন্দ করেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির এই ‘ম্যাটিনী কুইন’।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *