“হাসপাতাল থেকেও আন্দোলন জারি!”-‘চলো সংসদ’-এ যোগ দিতে মরিয়া সোনম ওয়াংচুক

সংসদ ভবনের অন্দরে যখন বর্ষাকালীন অধিবেশন চলছে, ঠিক তখনই সংসদের বাইরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে এসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে অটল আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে দিল্লি পুলিশ।
সোনম ওয়াংচুকের বার্তা: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা সত্ত্বেও আন্দোলন থেকে সরছেন না সোনম ওয়াংচুক। সোমবার তিনি সফদরজং হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেনডেন্ট এবং সরকারের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তিনি সুস্থ বোধ করছেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে হাসপাতাল থেকে সাময়িকভাবে ছেড়ে দেওয়া হোক, যাতে তিনি তাঁর ঘোষিত ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন।
সংসদ চত্বরে নিরাপত্তা ও বিক্ষোভ: এই মুহূর্তে সংসদ ভবনের গেটের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন CJP-এর আন্দোলনকারীরা। বিজয় চক থেকে সংসদ ভবনের দূরত্ব খুবই সামান্য। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। মোতায়েন করা হয়েছে জলকামান। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যুহ ভেদ করে আন্দোলনকারীরা এগোতে চাইলেই তাঁদের বাধা দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি: সংসদ ভবনের ভেতরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এবং বিরোধী দলনেতা-সহ অন্যান্য সাংসদরা উপস্থিত রয়েছেন। অধিবেশন চলাকালীন সংসদ ভবনের নিরাপত্তা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম এবং নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া কাউকে বিজয় চক পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সংসদের সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
NEET পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন যে মোড় নিয়েছে, তা সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সোনম ওয়াংচুকের অনশন ও পরবর্তী এই কর্মসূচি সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে।