‘পুরীর রথ দেখার স্বপ্ন পূরণ হলো’, জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদ নিতে মন্দিরে হাজির সোনু নিগম!

রথযাত্রার মাহেন্দ্রক্ষণে জনসমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গে যেন একাত্ম হয়ে গেলেন সুরের জাদুকর সোনু নিগম। ওড়িশার পবিত্র ধামে পা রেখে প্রথমবারের মতো সশরীরে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার সাক্ষী হলেন এই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে আনন্দ ও আবেগে আপ্লুত তিনি।
গত ৩৫ বছরের সংগীত জীবনে মহাপ্রভুর উদ্দেশ্যে বহু ভক্তিগীতি গাইলেও, পুরীর মাটিতে দাঁড়িয়ে রথ দেখার অনুভূতি একেবারেই অন্যরকম বলে জানালেন সোনু। গায়কের কথায়, “এই ঐশ্বরিক মুহূর্ত আমার স্মৃতিতে আজীবন অমলিন থাকবে।” এদিন বোনকে সঙ্গে নিয়ে রথযাত্রায় অংশ নেন তিনি।
ওড়িশাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা:
নিজের সংগীত জীবনে ওড়িশার মানুষের অবদানের কথা স্মরণ করে আবেগপ্রবণ সোনু নিগম বলেন, “আমি ওড়িশার মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। ছোটবেলা থেকেই তাঁরা আমাকে উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছেন। সংগীতের দুনিয়ায় আমার এই পরিচয়ের পেছনে ওড়িশাবাসীর স্নেহের বড় অবদান রয়েছে।”
প্রশাসনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ:
এত বড় একটি ধর্মীয় সমাবেশে লাখো মানুষের ভিড় সামলানো এবং নিরাপত্তার নিখুঁত বন্দোবস্ত দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এই তারকা শিল্পী। ওড়িশা প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এত বড় আয়োজন যেভাবে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
মহাপ্রভুর আশীর্বাদ:
শেষপর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা জগন্নাথ ভক্তদের রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানান তিনি। মহাপ্রভুর চরণে প্রার্থনা করে গায়ক বলেন, “জগন্নাথ দেবের অসীম কৃপায় আজ আমি এই মহোৎসবের আঙিনায় আসতে পেরেছি। তাঁর আশীর্বাদে সবার জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি নেমে আসুক—এই কামনাই করি।”