‘রাক্ষসী’ নয়, ডাকুন ‘শাঁকচুন্নি’! ট্রোলারদের যোগ্য জবাব দিলেন নতুন ‘দিদি’ স্বস্তিকা

নতুন সিজন, নতুন সঞ্চালিকা। ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে এবার রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। একদিকে যেমন স্বস্তিকার উপস্থাপনা নিয়ে প্রশংসার জোয়ার বইছে, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু অংশ তাঁকে নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়ছে না। তবে নিন্দুকদের ট্রোলিংয়ের জবাব এবার স্বস্তিকা দিলেন তাঁর নিজস্ব স্টাইলে।
ট্রোলারদের কড়া জবাব:
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বস্তিকাকে নিয়ে শুরু হওয়া ট্রোলিংয়ের জবাবে তিনি একটি ক্লিপিংস শেয়ার করে লেখেন, “যে বা যারা আমায় রাক্ষসী বলে ডাকছেন, দয়া করে শাঁকচুন্নি-তে শিফট করে যান। শাঁকচুন্নি ইজ বেটার। আই লাভ শাঁকচুন্নিস। কদলীবালা শাঁকচুন্নি ছিল, ওটা আমাকে বেশি মানায়। এবারের দিদি নম্বর ১-এর হোস্ট একজন শাঁকচুন্নি—বলে দেখুন এটা বেশি ভালো লাগছে।” স্বস্তিকার এই মজাদার উত্তর নেটপাড়ায় তুমুল জনপ্রিয় হয়েছে। ভক্তদের মতে, স্বাধীনচেতা নারীদের প্রতি সমাজের এই ‘রাক্ষসী’ বা ‘শাঁকচুন্নি’ তকমা দেওয়ার মানসিকতাকেই এক হাত নিলেন অভিনেত্রী।
প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেন:
স্বস্তিকার উপস্থাপনা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশের মতে, “উপস্থাপনায় কোনো মেকি ব্যাপার নেই, স্বস্তিকা ভীষণ ন্যাচারাল।” কেউ কেউ মজা করে লিখেছেন, “বাংলার ঘরে ঘরে এমন মিষ্টি শাঁকচুন্নি থাকা প্রয়োজন।”
রচনার ‘নাটকীয়’ বিদায় ও পটপরিবর্তন:
২০০৯ সালে শুরু হওয়া ‘দিদি নম্বর ১’-এর দীর্ঘ যাত্রায় রচনার সঙ্গে নাম জড়িয়ে গিয়েছিল অবিচ্ছেদ্যভাবে। মাঝখানে জুন মালিয়া বা দেবশ্রী রায়ের মতো সঞ্চালিকারা এলেও জনপ্রিয়তার কারণে ফের রচনাকেই ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর সাংসদ রচনার দলবদল এবং এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলেছিল। এরপরই আচমকা চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে রচনাকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা টেলিভিশন জগতে বড়সড় চমক হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।