সিরাপ বা টনিক কেনার আগে সতর্ক হোন: ওষুধ সংক্রান্ত সরকারের নতুন নিয়মে কী কী বদল এল?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত মুখে খাওয়ার ওষুধের বোতল বা প্যাকেটের মাপ ৩০ মিলিলিটারের বেশি এবং যাতে ১২ শতাংশের বেশি ইথাইল অ্যালকোহল রয়েছে, সেগুলিকে ‘শিডিউল এইচ১’ (Schedule H1) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন নিয়মের বিশেষ দিকগুলো:

  • প্রেসক্রিপশন বাধ্যতামূলক: নিবন্ধিত ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া দোকানদাররা এখন আর এই ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন না।

  • বিক্রয়ের রেকর্ড: শিডিউল এইচ১-এর অন্তর্গত অন্যান্য ওষুধের মতো এই ওষুধগুলির বিক্রির প্রতিটি হিসাব ও রেকর্ড ওষুধের দোকানদারকে সংরক্ষণ করতে হবে।

  • কার্যকারিতা: এই সংশোধনীটি গেজেটে প্রকাশের ছয় মাস পর থেকে অর্থাৎ ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে।

সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিল? অনেক সময় উচ্চ মাত্রার অ্যালকোহলযুক্ত সিরাপ বা টনিকের অপব্যবহারের সম্ভাবনা থাকে। ওষুধের এই অপব্যবহার রুখতে এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার এই নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, সিরাপ, টনিক বা ভেষজ নির্যাস সংরক্ষণের জন্য এবং সেগুলিকে দ্রবীভূত করার জন্য ওষুধে ইথানল মেশানো হয়। এটি দীর্ঘকাল ধরে ওষুধের কার্যকারিতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

সতর্কবার্তা: আপনি যদি নিয়মিত কোনো সিরাপ বা টনিক সেবন করে থাকেন, তবে নিশ্চিত হয়ে নিন সেটিতে অ্যালকোহলের মাত্রা কত। ৩০ মিলিলিটারের চেয়ে বড় প্যাকেটের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মটি কার্যকর হবে, তাই কেনাকাটার সময় সচেতন থাকা জরুরি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *