সময়সীমা শেষ, এবার আইনি ব্যবস্থা? টালা প্রত্যয়কে চরম বার্তা বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির

মাঠ দখল ও পাঁচিল ভাঙার অভিযোগে আবারও চাপে উত্তর কলকাতার বিখ্যাত দুর্গাপুজো কমিটি ‘টালা প্রত্যয়’। কলকাতা পুরনিগমের (KMC) নির্দেশে বলা হয়েছে, পুজোর মণ্ডপ তৈরির সময় ক্লাবের পক্ষ থেকে যে পাঁচিল ও লোহার রেলিং ভেঙে ফেলা হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আগের মতো করে দিতে হবে। অন্যথায় পুর আইন মেনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট: দীর্ঘদিন ধরে টালা প্রত্যয় ক্লাবের মণ্ডপ তৈরির জন্য কলকাতা কর্পোরেশনের মাঠের একটি বিশাল অংশ দখল হয়ে থাকত বলে অভিযোগ। পুজোর অনেক আগে থেকে কাজ শুরু করে পুজোর পরেও বেশ কয়েক মাস ধরে মণ্ডপ খোলা হতো। অভিযোগ, এই পুরো প্রক্রিয়ায় মাঠের পাঁচিল ও লোহার রেলিং ভেঙে ফেলা হয়েছিল। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি এই দখলদারির বিরুদ্ধে সরব হন এবং ক্লাবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন।

পুরনিগমের কড়া অবস্থান: পুরনিগমের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কাঠামো সরানোর কাজ হলেও মাঠের সীমানা প্রাচীর ও রেলিং মেরামতির কাজ বাকি রয়েছে। তাই ক্লাব কর্তৃপক্ষকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিধায়কের হুঁশিয়ারি: কাশিপুর-বেলগাছিয়ার বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “সাধারণ মানুষের মাঠ বা রাস্তা এক ইঞ্চিও দখল করতে দেওয়া হবে না। কর্পোরেশনের দেওয়া সময়সীমার মধ্যে যদি তারা কাজ না করে, তবে শুধু ক্লাব নয়, পুরনিগমের আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলব। কেউ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে রেয়াত করা হবে না।”

এখন দেখার বিষয়, বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ক্লাব কর্তৃপক্ষ মাঠের পুরনো রূপ ফিরিয়ে দিতে পারে কি না, নাকি এই জবরদখল বিতর্কে নতুন কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *