৪০০ কোটির গুজব বনাম সত্যি: হৃতিক-সুজানের বিচ্ছেদ নিয়ে বড় বোমা ফাটালেন ফারাহ খান আলি

নব্বইয়ের দশকের বলিউড মানেই ছিল ববি দেওল, নীলাম কোঠারি এবং ফারাহ খান আলিকে নিয়ে নানা গুঞ্জন। দীর্ঘকাল ধরে চর্চা ছিল যে, নীলাম কোঠারির আগমনেই ববি দেওলের সাথে ফারাহ খান আলির সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল। এতদিন এই বিষয়ে নীরব থাকলেও, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটালেন সুজান খানের বোন তথা প্রখ্যাত গহনা ডিজাইনার ফারাহ খান আলি।
‘আমাদের প্রেম ছিল কৈশোরের নিষ্পাপ আবেগ’ ববি দেওলের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ফারাহ বলেন, “আমরা একে অপরের বন্ধু ছিলাম। তখন আমার বয়স ১৬ আর ববির ১৭। আমাদের সম্পর্কটা আজকের ডেটিংয়ের মতো ছিল না। আমরা হাতে হাত রেখে হাঁটতাম, চিঠি লিখতাম—ব্যাস এটুকুই। এটা ছিল কৈশোরের একটা ভালোলাগা মাত্র।” তিনি আরও জানান, ববি এবং তাঁর স্ত্রী তানিয়া বর্তমানে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে কোনো তিক্ততা নেই।
নীলামের কারণেই কি বিচ্ছেদ? ববি এবং নীলামের সম্পর্কের জেরে তাঁর ব্রেকআপ হয়েছিল—এই তথ্যের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ফারাহ। তিনি স্পষ্ট জানান, ববি ও তাঁর কৈশোরের সম্পর্কের ইতি ঘটার পরেই নীলাম কোঠারির সাথে ববির প্রেমের সূচনা হয়। নীলামের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নেই বলেও দাবি করেছেন ফারাহ।
সুজানের ‘৪০০ কোটি’র মিথ্যে গুজব হৃতিক রোশন ও সুজান খানের বিচ্ছেদ নিয়েও বহু বছর ধরে শোনা গেছে, বিচ্ছেদের পর সুজান ৪০০ কোটি টাকার মোটা অঙ্কের খোরপোশ নিয়েছেন। এই গুজবকে তীব্র ভাষায় খণ্ডন করেছেন ফারাহ। তিনি বলেন, “সুজান মোটেও লোভী নয়। সে এমন এক পরিবারে বড় হয়েছে যেখানে সম্পর্কের মূল্য অর্থের চেয়ে অনেক বেশি। আমার বোন কিছুই নেয়নি, এসবই ভিত্তিহীন প্রচার।”
কেন চুপ ছিলেন সুজান? ফারাহ আরও জানান, তাঁকে সুজান বলেছিল যে লোকে তাকে নিয়ে কী ভাবল, তাতে তার কিছু আসে যায় না। তবে হৃতিক রোশন এবং তাঁর পরিবারের সাথে সুজানের সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত মধুর এবং সম্মানজনক।
ফারাহ খান আলির এই খোলামেলা সাক্ষাৎকার বিনোদন জগতে ছড়িয়ে থাকা দীর্ঘদিনের ভুল ধারণাগুলোকে অনেকটাই পরিষ্কার করে দিল।