OMG! করা যাবে ‘সেক্স ডল’ আমদানি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল এই দেশ

‘সেক্স ডল’ বা ‘যৌন পুতুল’ আমদানির ওপর আরোপ থাকা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বছরের পর বছর ধরে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের উপর সরকার হস্তক্ষেপ করছে এমন অভিযোগের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত আসল।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) কোরিয়ার কাস্টমস সার্ভিস জানিয়েছে, প্রাপ্ত বয়স্ক সেক্স ডলের ওপর থেকে আমদানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শিশু সেক্স ডল আমদানি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি আছে।

দক্ষিণ কোরিয়াতে সেক্স ডল ব্যবহার অবৈধ নয়। তবে ২০১৮ সাল থেকে দেশটির কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার সেক্স ডল জব্দ করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহ্য এবং নৈতিক আইনের কারণে প্রাপ্ত বয়স্ক যৌন পুতুল ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন এসব পণ্যের আমদানিকারকরা। তারা আদালতের কাছে আবেদন করেন যেসব সেক্স ডল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটকে রেখেছে সেগুলো ছেড়ে দেওয়ার। কারণ এসব পণ্যের ব্যবহার মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে না।

২০১৯ সালে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যেখানে বলা হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে সেক্স ডল ব্যবহার করা যাবে। যা পর্নগ্রাফি দেখার মতো অপরাধের সামিল। তবে ব্যবহার অবৈধ নয়।

এর আগে প্রায় ৫ লাখ মানুষ সেক্স ডল আমদানি বন্ধের জন্য স্বাক্ষর করে একটি পিটিশন দায়ের করেন। যার অজ্ঞাত কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের পুতুল যৌন অপরাধ বাড়িয়ে তুলবে।

শেষ পর্যন্ত কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জেন্ডার সমতা এবং পরিবার মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে আদালতের একটি রুল পর্যবেক্ষণ করে সেক্স ডল আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

এদিকে সরকারি হেফাজতে থাকা যেসব সেক্স ডল আমদানি করা হয়েছিল সেগুলো ফেরত চেয়েছে আমদানিকারকরা। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষে দাবি, গত চার বছরে যেসব পুতুল আটক করা হয়েছে তার সংখ্যা মাত্র ১ হাজার।

তবে কাস্টম কর্মকর্তারা বলেছেন যে তারা সেক্স ডল বিক্রি নিষিদ্ধ করবে যা সত্যিকারের মানুষের মতো, যেমন সেলেব্রিটিদের মতো।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *