বর্ষায় এসি চালাচ্ছেন? এই ছোট্ট ভুলটি করলেই মাস শেষে পকেট খালি হবে!

বর্ষাকাল মানেই ভ্যাপসা গরম আর আর্দ্রতার অস্বস্তি। এই সময় ঘর ঠান্ডা রাখতে অনেকেই ভরসা রাখেন এয়ার কন্ডিশনার বা এসির ওপর। কিন্তু আপনি কি জানেন, সঠিক নিয়ম না জেনে বর্ষাকালে এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল হতে পারে আকাশছোঁয়া? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ছোটখাটো নিয়ম মেনে চললে একদিকে যেমন ঘর থাকবে আরামদায়ক, অন্যদিকে সাশ্রয় হবে প্রচুর বিদ্যুৎ।
বিদ্যুৎ বিল কমাতে মেনে চলুন ৫ টি জরুরি টিপস:
-
দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন: এসি চালু থাকা অবস্থায় দরজা বা জানালা খোলা রাখা সবচেয়ে বড় ভুল। এতে বাইরের আর্দ্র বাতাস ভেতরে ঢুকে পড়ে, ফলে ঘর ঠান্ডা হতে এসির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং বিদ্যুতের খরচ বাড়ে।
-
সঠিক তাপমাত্রার জাদু: অনেকে দ্রুত ঘর ঠান্ডা করার জন্য এসি ১৮ ডিগ্রিতে চালিয়ে রাখেন, যা ভুল ধারণা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে এসি ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখাই আদর্শ। এতে এসি কম চাপে চলে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
-
‘ড্রাই মোড’ (Dry Mode)-এর ব্যবহার: বর্ষায় বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকে। তাই ‘কুল মোড’-এর বদলে ‘ড্রাই মোড’ ব্যবহার করুন। এটি বাতাস থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা শুষে নিয়ে ঘরকে আরামদায়ক করে তোলে এবং বিদ্যুৎ খরচও অনেকটা কমিয়ে দেয়।
-
ফিল্টার পরিষ্কার রাখা: বৃষ্টির দিনে বাতাসে ধুলোবালির পরিমাণ বেশি থাকে, যা খুব দ্রুত এসির ফিল্টার নোংরা করে দেয়। ফিল্টার নোংরা থাকলে বাতাসের প্রবাহ বাধা পায়, ফলে এসিকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার করলে এসি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
-
আউটডোর ইউনিটের যত্ন: বাড়ির ভেতরের এসির পাশাপাশি বাইরের আউটডোর ইউনিটটিও পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। বৃষ্টির কারণে বাইরের ইউনিটে মাটি, পাতা বা আবর্জনা জমতে পারে, যা কম্প্রেসরের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর আউটডোর ইউনিট পরিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।