OMG! হঠাৎ বিপদের মুখে মা, উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে মা কে বাঁচাল ছোট্ট ছেলে, দেখেনিন ভিডিও

সন্তানের জন্য মা যেমন সবকিছু করতে পারেন, তেমনই মা বিপদে পড়লে তাকে রক্ষা করার জন্যও সমস্ত শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে সন্তান। আর ঠিক এমনই দৃশ্য দেখা গেল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম টুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ভারতের আইপিএস কর্মকর্তা দীপাংশু কাবরা। টুইটারে মাঝে মাঝেই দারুণ সব ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। সেসব ভিডিও ভাইরালও হয় এবং এবারও তেমনটাই হয়েছে।

টুইটারে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক নারী মইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে কিছু একটা কাজ করছিলেন। তারপর নামার সময় অসাবধানতার কারণে পায়ে লেগে মইটি উল্টে পড়ে যায়। অবশ্য নিজেকে সামলে নিয়ে ওপরে থাকা একটা বিম থেকে কোনও রকমে ঝুলতে থাকেন ওই নারী। হাত ফসকে গেলেই মারাত্মক বিপদ হতে পারে।

অবশ্য ওই নারীর যেখানে কাজ করছিলেন তার পাশেই নিচে দাঁড়িয়েছিল তারই ছোট্ট ছেলে। মায়ের বিপদ দেখেই সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের জন্য ছুটে যায় সে। গায়ের জোরে মইটা টেনে তোলার চেষ্টা শুরু করে সে। আশপাশে কোনও লোক না থাকায় পুরো কাজটাই তাকে একা একা করতে হয়েছে।

প্রথম দিকে সামলাতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত মইটা তুলে মায়ের পায়ের কাছে সেটাকে রেখে দেয় বাচ্চা ছেলেটি। এখানেই শেষ নয়। মা যতক্ষণ না মই বেয়ে নিচে নেমেছেন ততক্ষণ মই আঁকড়ে দাঁড়িয়েছিল বাচ্চা এই ছেলেটি। মায়ের ব্যাপারে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি সে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, গত ২৩ ডিসেম্বর টুইটারে ৪৩ সেকেন্ডের এই ভিডিও শেয়ার করেছিলেন আইপিএস অফিসার দীপাংশু কাবরা। সেখানেই ভিডিওটি ভাইরাল হয় এবং এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেটি প্রায় ৩ লাখ বার দেখা হয়েছে। লাইক পড়েছে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি।

টুইটারে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ওহ মাই গড! এত বড় সিঁড়ি ধরে থাকা ছোট্ট শিশুর জন্য লাখো আশীর্বাদ। অবশেষে ভদ্রমহিলা রক্ষা পেয়েছেন। এটাকে বলা হয় ভালো প্যারেন্টিং।’

অন্য একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘খুব ভালো, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং মায়ের জন্য (খুব ছোট) ছেলের অসাধারণ পদক্ষেপ, প্রশংসাযোগ্য।’

বাচ্চা ছেলেটি যেভাব মইটি মাটি থেকে তুলে ফের নিজের মায়ের পায়ের নাগালে রাখতে সক্ষম হয় তা দেখে অবাক নেট দুনিয়া। অবশ্য টুইটার ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন মাধ্যমেও এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *