রাজস্বে রেকর্ড লাফ: তৃণমূলের ১৮ কোটির বিপরীতে এক মাসেই ৭০ কোটি আয় বীরভূমের খনি থেকে

স্থানীয় প্রশাসন ও খনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, আগের জমানায় রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার কারণে খনির একটি বড় অংশ অবৈধ খননকারীদের দখলে ছিল। রাজস্বের সিংহভাগই সরকারি কোষাগারে না ঢুকে পকেটে যেত। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে:
-
কঠোর মনিটরিং: ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করে অবৈধ খনন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়েছে।
-
স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া: খনি ব্লকগুলোর নিয়মিত ও স্বচ্ছ অকশন বা নিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
-
সীমানা নির্ধারণ: খনির সীমানা কঠোরভাবে নির্ধারণ করে অনিয়ম রুখে দেওয়া হয়েছে।
-
দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন: রাজনৈতিক দাদাগিরি বন্ধ করে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারির ফলে রাজস্ব আদায়ের হার স্বাভাবিকভাবেই বহুগুণ বেড়েছে।
সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব:
এই রাজস্ব বৃদ্ধির ফলে শুধুমাত্র সরকারি কোষাগারই সমৃদ্ধ হচ্ছে না, জেলার সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়েছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং রাস্তাঘাটসহ স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নে এই বাড়তি অর্থ কাজে লাগানো যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বীরভূমের এই একটি ব্লকের চিত্রই প্রমাণ করে যে বিগত শাসনে রাজ্যের বিভিন্ন খনি ও বন্দর থেকে কত হাজার কোটি টাকা বেআইনি পথে পাচার হতো। আগামী মাসে এই রাজস্ব ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে ‘রাজনৈতিক প্রচার’ বলে উড়িয়ে দিলেও, সরকারি পরিসংখ্যানে এই বিশাল ব্যবধান রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।