জাপানের নতুন সামরিক পরিকল্পনা, উত্তর কোরিয়ার হুমকি

জাপানের সামরিক শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনাকে ‘ভুল ও বিপজ্জনক বাছাই’ উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। একইসঙ্গে জাপানের যেকোনো হুমকি মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছে কিম জং উনের দেশ।
সোমবার জাপানের ৩২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নিরাপত্তা কৌশলের পরিকল্পনা ঘোষণার পর মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

জাপান বলছে, চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবিলা করতে ‘পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা’ বাড়াতে জাপান সামরিক শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

জাপানের পাঁচ বছরের সামরিক কৌশল দেশটিকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তিতে ব্যয়কারী ভূমি হিসেবে তকমা দেবে। তাদের চেয়ে সামরিক ব্যয়ে শুধুমাত্র এগিয়ে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র দেশটির কেন্দ্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ-কে জানান, জাপানের নতুন নিরাপত্তা কৌশল নতুন আগ্রাসনের নীতির কার্যকর করবে এবং মূলগতভাবে পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তার পরিবেশ পরিবর্তন করবে।

জাপানের এ পদক্ষেপকে অন্যা ও অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা হিসেবে বিবেচনা করছে উত্তর কোরিয়া। জাপানের এ পদক্ষেপে আমরা কতটুকু উদ্বিগ্ন ও অসন্তোষ্ট তা আমরা বাস্তবে পদক্ষেপ নিয়ে দেখিয়ে দিতে থাকব।

এ মুখপাত্র বলেন, জাপানকে অস্ত্রে সজ্জিকরণ এবং উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র জাপানকে তার আগের আগ্রাসন নীতিতে ফেরাতে চাইছে।

তিনি বলেন, পিয়ংইয়ং তার নিজের নিরাপত্তা জোরদারের চেষ্টার জন্য জাপানকে এভাবে উসকানি দেওয়া ওয়াশিংটনের কোনো অধিকার নেই।

উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা উন্নতির চেষ্টার মধ্যে রয়েছে রেকর্ড সংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা এ বছর সর্বোচ্চ পরীক্ষা চালানো হয়। এসব ক্ষেপণাস্ত্র পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমি ও তাদের মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে আঘাত হানতে সক্ষম।

গত সোমবার উত্তর কোরিয়া দাবি করে যে, তারা স্পাই স্যাটেলাইট চালুর চেষ্টা করছে। তারা এরই মধ্যে একটি স্যাটেলাইন পরীক্ষামূলকভাবে উড়িয়েছে। তবে সেটি নিম্ন রেজ্যুলেশন ও সাদা-কালো ছবি পাঠাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *