ফুটবল বিশ্বে শোকের ছায়া! মাত্র ৩৪ বছরেই না ফেরার দেশে বেঙ্গালুরু এফসি-র প্রাক্তন ডিফেন্ডার

ফুটবল মাঠে তিনি ছিলেন দাপুটে। শক্তিশালী ট্যাকলিং আর রক্ষণভাগের দুর্ভেদ্য প্রাচীর হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তিনি। সেই ইয়রনডু মুসাভু-কিং (Yrondu Musavu-King) আর নেই। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে গ্যাবনের রাজধানী লিব্রেভিলেতে তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব।

কীভাবে ঘটল ঘটনা?
গ্যাবন ফুটবল ফেডারেশন সূত্রে খবর, লিব্রেভিলেতে নিজের বাড়িতেই সকালে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। যদিও তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তাঁর অকাল মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্যাবনের ক্রীড়াঙ্গন এবং ভারতের ফুটবল মহলেও।

বর্ণময় ফুটবল জীবন
ফ্রান্সে বেড়ে ওঠা এই সেন্টার-ব্যাক তাঁর পেশাদার ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন ‘এসএম কানে’ ক্লাবের হয়ে। এরপর একে একে ইউরোপের একাধিক নামী ক্লাবে খেলেছেন তিনি—যার মধ্যে রয়েছে গ্রানাডা সিএফ, এফসি লরিয়েঁ, তুলুজ এফসি, এফসি সেন্ট গ্যালেন এবং উদিনেজির মতো দল। গ্যাবনের জাতীয় দলের জার্সি গায়েও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

আইএসএলে অবদান
ভারতীয় ফুটবলের দর্শকদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন বেঙ্গালুরু এফসি-র হয়ে। ২০১৯ সালে তিনি সুনীল ছেত্রীর দলের রক্ষণে যোগ দেন। আইএসএলে দলের রক্ষণভাগকে সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। মাঠে তাঁর ধারাবাহিকতা ও লড়াই করার মানসিকতা মুগ্ধ করেছিল সতীর্থ ও সমর্থকদের।

তাঁর মৃত্যুর খবরে বেঙ্গালুরু এফসি-র প্রাক্তন সতীর্থ এবং আইএসএলের ফুটবলাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মাঠের লড়াকু সৈনিকের এভাবে বিদায় মেনে নিতে পারছেন না কেউই।