‘নিজের হিরে নিজেই কিনি!’ গোল্ড ডিগার তকমার কড়া জবাব দিলেন সুস্মিতা সেন

বলিউডের প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেনের জীবন বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষ করে ললিত মোদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসার পর নেটদুনিয়ায় ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। কেউ কেউ তাঁকে ‘গোল্ড ডিগার’ (Gold Digger) তকমা দিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পর এই বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন সুস্মিতা এবং ললিত দুজনেই।
সুস্মিতার আত্মবিশ্বাসী জবাব:
দু’বছর আগে অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর পডকাস্টে এই প্রসঙ্গ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছিলেন সুস্মিতা। রিয়া যখন তাঁকে মনে করিয়ে দেন যে এখনো মানুষ তাঁকে ‘গোল্ড ডিগার’ বলে ডাকেন, তখন সুস্মিতা হাসিমুখে জবাব দেন, “আমি নিজের হিরে নিজেই কিনি। আর আমি ছোট হিরেতে সন্তুষ্ট নই, আমার সব হিরেই বড়।” নিন্দুকদের উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল—কারও মন্তব্যে তিনি নিজের মূল্যবোধ বিচার করেন না। নিজের উপার্জনের ওপর তাঁর অটুট আত্মবিশ্বাসই ফুটে উঠেছে এই কথায়।
ললিত মোদির বয়ান:
অন্যদিকে, এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ললিত মোদিও। সুস্মিতাকে ‘গোল্ড ডিগার’ বলাটা সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে দাবি করেছেন তিনি। ললিতের কথায়, সুস্মিতা তাঁর দেখা অন্যতম স্বাধীন ও স্বনির্ভর নারী। এমনকী সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময়কার এক মজার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, “এমন কোনো সময় আসেনি যে আমাকে কিছুর জন্য খরচ করতে হয়েছে। বরং সুস্মিতাই সব খরচ করত। আমি ওঁর রক্ষিত প্রেমিকের মতো ছিলাম।”
কটাক্ষের ভিড়ে বাস্তব:
একসময় ললিত মোদি এবং সুস্মিতা সেনের সম্পর্কের ঘোষণা ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ এবং সম্পত্তির লোভে প্রেম করার মতো দাবিও উঠেছিল। তবে সুস্মিতা এবং ললিত—উভয়েই নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছেন। সুস্মিতা যেমন নিজের সাফল্যের গর্বে অবিচল, তেমনই ললিত মোদিও জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এক কথায়, ট্রোলিং বা ভার্চুয়াল তকমা যে তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও সম্পর্কের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারেনি, তা তাঁদের এই পাল্টা জবাব থেকেই স্পষ্ট।