সিঙ্গল প্রিমিয়ামেই মিলবে লক্ষ লক্ষ টাকার মুনাফা, LIC আনল ২টি বাম্পার প্ল্যান

এলআইসি (LIC)-এর এই নতুন পলিসিগুলো দম্পতিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগের সুযোগ হতে পারে। নিচে আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্কিমগুলোর একটি সহজ ও সারসংক্ষেপ তুলে ধরলাম:

LIC-এর নতুন স্কিম: ‘নিউ জীবন সাথী’

ভারতীয় জীবন বিমা নিগম (LIC) দম্পতিদের জন্য দুটি নতুন পলিসি বাজারে এনেছে—‘নিউ জীবন সাথী সিঙ্গল প্রিমিয়াম’ এবং ‘নিউ জীবন সাথী লিমিটেড প্রিমিয়াম’। এই পলিসিগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো—একটি মাত্র পলিসিতে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই বিমা সুরক্ষার আওতায় থাকবেন এবং সঙ্গে সঞ্চয়ের সুযোগও মিলবে।

১. নিউ জীবন সাথী সিঙ্গল প্রিমিয়াম প্ল্যান

যারা বারবার প্রিমিয়াম দেওয়ার ঝামেলায় জড়াতে চান না, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।

  • পেমেন্ট: একবারই প্রিমিয়াম জমা দিতে হবে।

  • রিটার্ন: প্রতি ১,০০০ টাকা বেসিক সাম অ্যাসুরডের (Sum Assured) বিপরীতে ৭০ টাকা গ্যারান্টিড রিটার্ন পাওয়া যাবে।

  • মেয়াদ: ১০, ১৫, ২০ বা ২৫ বছরের জন্য এই প্ল্যান নেওয়া যাবে।

  • শর্ত: নূন্যতম বিনিয়োগ ৩ লক্ষ টাকা এবং পলিসি নেওয়ার বয়স হতে হবে ১৮ বছর বা তার বেশি।

২. নিউ জীবন সাথী লিমিটেড প্রিমিয়াম প্ল্যান

যারা নির্দিষ্ট কিস্তিতে প্রিমিয়াম দিতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি সুবিধাজনক।

  • পেমেন্ট: ৫, ১০ বা ১৫ বছরের কিস্তিতে প্রিমিয়াম দেওয়া যাবে।

  • রিটার্ন: বার্ষিক প্রিমিয়ামের ওপর ৭ শতাংশ গ্যারান্টিড রিটার্ন মিলবে।

  • বিশেষ সুবিধা: পলিসি চলাকালীন প্রিমিয়াম প্রদানকারী ব্যক্তির মৃত্যু হলে পরবর্তী কিস্তিগুলো আর দিতে হবে না, তবুও পলিসির সুবিধা বহাল থাকবে।

সাধারণ কিছু সুবিধা:

  • গ্যারান্টিড রিটার্ন: বাজারের ওঠানামার ওপর এই পলিসির রিটার্ন নির্ভর করে না, তাই এটি বেশ সুরক্ষিত।

  • কভারেজ: স্বামী ও স্ত্রী উভয়ই এই পলিসির সুবিধা পাবেন। ম্যাচুরিটিতে টাকা পাওয়া যাবে, আবার পলিসি চলাকালীন অকাল মৃত্যু হলে পরিবার সুরক্ষার অংশ হিসেবে প্রাপ্য অর্থ পাবে।

  • রাইডার বেনিফিট: অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য গ্রাহকরা প্রয়োজন অনুযায়ী ‘রাইডার বেনিফিট’ (Rider Benefit) যোগ করতে পারেন।

  • পাওয়ার উপায়: ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে এই পলিসিগুলো অনলাইন (অফিসিয়াল ওয়েবসাইট) এবং অফলাইন (এজেন্ট বা ব্রাঞ্চের মাধ্যমে) উভয় পদ্ধতিতেই কেনা যাবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী বিমা বা বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালো করে পলিসির শর্তাবলি পড়ে নিন। চূড়ান্ত বিনিয়োগের আগে একজন আর্থিক বিশেষজ্ঞের (Financial Advisor) পরামর্শ নেওয়া সবসময়ই বুদ্ধিমানের কাজ।