সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি! দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে কাল কি মিলবে বড় আপডেট?

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) মামলার শুনানি নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন কর্মচারীরা। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের প্রেক্ষিতে আগের শুনানিতে রাজ্য সরকার কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছিল, যার ফলে শুনানি পিছিয়ে যায়। সূত্রের খবর, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামীকাল বুধবার, ২৭ মে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

মামলার প্রেক্ষাপট ও বর্তমান পরিস্থিতি:
গত ১৫ এপ্রিল এই মামলার শেষ শুনানি হয়েছিল। পরবর্তীতে ৬ মে বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের স্পেশাল বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, বিশেষ কারণে তা পিছিয়ে যায়। রাজ্যের আইনজীবী কুণাল মেমানি সেই সময় শীর্ষ আদালতে জানিয়েছিলেন, রাজ্যে নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় বর্তমান সরকারের অবস্থান ও ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। সেই অনুযায়ী, ৩ সপ্তাহের সময় চেয়েছিল রাজ্য।

গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ সরকারি কর্মীদের জন্য:
কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়া মারফত জানিয়েছেন যে, ২৭ মে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলাটি তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নোটিফিকেশন অনুযায়ী, বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হতে পারে।

এই সপ্তাহটি রাজ্যের সরকারি কর্মীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে যেমন আগামীকাল শীর্ষ আদালতে ডিএ মামলার শুনানি নিয়ে কর্মীদের মধ্যে তীব্র কৌতুহল রয়েছে, তেমনই আগামী ৩০ মে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর চার স্তরের একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে ডিএ ইস্যু ও বকেয়া পাওনা নিয়ে বড় কোনো সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী।

দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার পর পালাবদলের আবহে ডিএ মামলা এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।