ভারতের জন্য বিরাট স্বস্তি! আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পতন

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) দামে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা বাড়তেই বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। এই দাম কমার ফলে ভারতের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
কেন কমল তেলের দাম?
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) উভয় ধরনের তেলের দামই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত ৭ মে-র পর এটিই সর্বনিম্ন স্তর। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক বা ‘MoU’ নিয়ে আলোচনার অগ্রগতিই এই পতনের মূল কারণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইতিবাচক ইঙ্গিত বাজারে ভরসা জুগিয়েছে।
ভারতের জন্য এই খবর কেন গুরুত্বপূর্ণ?
Strait of Hormuz সংকট কাটার আশা: বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই রুট দিয়ে পরিবহণ করা হয়। চুক্তি সফল হলে এই সমুদ্রপথটি নিরাপদ হয়ে উঠবে, যা ভারতসহ বিশ্বের দেশগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
LPG-র ঘাটতি কমবে: সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে দেশে রান্নার গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা অনেকটাই কেটে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম: আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম কমলে দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের যে পরিবেশ রয়েছে, তা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
যদিও তেলের দাম কমা ভারতের জন্য বড় স্বস্তির বিষয়, তবুও এখনই পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, হরমুজ প্রণালীসহ বিভিন্ন জটিল বিষয়ে এখনও দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তাই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে তাড়াহুড়ো না করার বার্তা দিয়েছেন তিনি।