গবাদি পশু জবাই নিয়ে নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে আপত্তি! বকরি ঈদের মুখেই কেন আদালতের দ্বারস্থ একাধিক পক্ষ?

আগামী ২৮ মে পবিত্র বকরি ঈদ। এই উৎসবে পশুর কোরবানি বা জবাই করার একটি প্রাচীন ধর্মীয় রীতি রয়েছে। তবে উৎসবের দিন যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে এবং পরিবেশ ও সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন বজায় রাখা যায়, তার জন্য সম্প্রতি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গবাদি পশু জবাই সংক্রান্ত একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। এবার সরকারের সেই বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে আদালতের দরজায় কড়া নাড়ল একাধিক সংগঠন ও ব্যক্তি।
কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, রাজ্য সরকারের এই সাম্প্রতিক নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একগুচ্ছ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাকারীদের একাংশের দাবি, সরকারের এই নতুন বিজ্ঞপ্তির কিছু নিয়ম ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে এবং উৎসবের প্রাচীন রীতিনীতি পালনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, পশুপেমী ও পরিবেশবাদী কিছু সংগঠনের পক্ষ থেকেও প্রকাশ্য স্থানে বা নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে পশুবলি ও জবাই রুখতে আইনি পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে।
এই ত্রিমুখী টানাপোড়েনের জেরে বকরি ঈদের ঠিক আগে রাজ্য সরকারের এই বিজ্ঞপ্তি আইনি স্ক্যানারে চলে এল। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে খুব শীঘ্রই এই মামলাগুলির একযোগে শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উৎসবের ঠিক এক সপ্তাহ আগে আদালতের এই আইনি লড়াইয়ের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে সমস্ত পক্ষ। হাইকোর্ট এই বিজ্ঞপ্তির ওপর কোনো অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় নাকি সরকারের নির্দেশিকাই বহাল রাখে, এখন সেটাই দেখার।