রেকর্ড ভেঙে আগেই ঢুকছে মৌসুমি বায়ু! ভিজবে কোন কোন রাজ্য? জেনে নিন তিলোত্তমার ভাগ্যে কী আছে

তীব্র গরম আর অস্বস্তিকর প্যাচপ্যাচে ঘামে যখন জেরবার সাধারণ মানুষ, ঠিক তখনই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর শোনাল এক বড়সড় স্বস্তির খবর। তবে এই স্বস্তির খবরের ভেতরেও লুকিয়ে রয়েছে কিছুটা মন খারাপের ইঙ্গিত, বিশেষ করে কলকাতাবাসীর জন্য। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে চলেছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু তথা বহুল প্রতীক্ষিত বর্ষা।

সাধারণত প্রতি বছর জুনের নির্দিষ্ট সময়ে বর্ষার আগমন ঘটলেও, এবার বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তনের কারণে মে মাসের শেষের দিকেই দেশের বেশ কিছু অংশে বর্ষার মেঘ পুঞ্জীভূত হতে শুরু করবে। হাওয়া অফিসের এই মেগা আপডেট স্বাভাবিকভাবেই দেশজুড়ে কোটি কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। ভারতের কৃষিপ্রধান অঞ্চলগুলোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই আগাম বর্ষার খবরে চাতক পাখির মতো চাতক দৃষ্টিতে চেয়ে আছেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, ভারতের অন্যান্য অংশ যখন সময়ের আগে ভিজতে চলেছে, তখন পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার ভাগ্য কী রয়েছে?

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দেশের অন্যান্য অংশে বর্ষার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলেও, তিলোত্তমায় এখনই একটানা ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন কলকাতার আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকবে। তবে মেঘের আড়ালে সূর্য লুকোচুরি খেললেও, বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরম এবং অস্বস্তি এখনই কমছে না। বরং দিনের বেলা পরিষ্কার আকাশ হতেই রোদের তেজ আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদেরা।

ফলে একদিকে যেমন আগাম বর্ষার বার্তা কড়া নাড়ছে দেশের দরজায়, অন্যদিকে তেমনই কলকাতাবাসীকে আপাতত মেঘলা আকাশ আর চড়া রোদের এই যুগলবন্দী সহ্য করেই দিন কাটাতে হবে। গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আনুষ্ঠানিক প্রবেশ কবে ঘটবে, তা জানতে আরও কিছুদিন সাধারণ মানুষকে আবহাওয়া দপ্তরের দৈনিক বুলেটিংয়ের দিকেই চোখ রাখতে হবে।