টানটান টক্কর! ১৯৯ টাকার প্ল্যানে বাজিমাত করল কোন কোম্পানি? রিচার্জ করার আগে এই হিসেব না দেখলে পস্তাবেন

মোবাইল রিচার্জের খরচ যখন দিন দিন সাধারণ মানুষের পকেটে টান ফেলছে, ঠিক তখনই কম বাজেটের গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এল দেশের অন্যতম শীর্ষ টেলিকম সংস্থা ভারতী এয়ারটেল। বিশেষ করে যাঁরা কম খরচে সিম কার্ডটি সচল বা অ্যাক্টিভ রাখতে চান এবং ডেটার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কম করেন, তাঁদের জন্য এয়ারটেল বাজারে রেখেছে ১৯৯ টাকার একটি দারুণ প্রিপেইড প্ল্যান।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এয়ারটেলের ১৯৯ টাকার এই সাশ্রয়ী প্ল্যানে গ্রাহকেরা ঠিক কী কী সুবিধা পাচ্ছেন এবং এর বিপরীতে রিলায়েন্স জিও-ই বা গ্রাহকদের কী অফার করছে।
এয়ারটেলের ১৯৯ টাকার প্ল্যানের খুঁটিনাটি: এয়ারটেলের এই পকেট-ফ্রেন্ডলি প্ল্যানটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর ভ্যালিডিটি বা মেয়াদ। মাত্র ১৯৯ টাকায় গ্রাহকেরা পেয়ে যাবেন পুরো ২৮ দিনের মেয়াদ। এর পাশাপাশি থাকছে আনলিমিটেড লোকাল ও এসটিডি ভয়েস কলিংয়ের সুবিধা। তবে যাঁরা প্রচুর ডেটা ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য এই প্ল্যানটি নয়। এতে পুরো মেয়াদের জন্য সীমিত পরিমাণে ডেটা এবং দৈনিক নির্দিষ্ট সংখ্যক SMS-এর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ প্রয়োজনে সিম চালু রাখার জন্য এক্কেবারে আদর্শ।
টক্করে রিলায়েন্স জিও: কার পাল্লা ভারী? টেলিকম বাজারের নিয়ম মেনে এয়ারটেলকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাতে ময়দানে প্রস্তুত রিলায়েন্স জিও-ও। জিও-র ঝুলিতেও রয়েছে ১৯৯ টাকার একটি প্রিপেইড প্ল্যান। তবে জিও-র অফারটি এয়ারটেলের থেকে কিছুটা আলাদা। জিও সাধারণত এই দামের প্ল্যানে গ্রাহকদের দৈনিক ১.৫ জিবি বা তার বেশি উচ্চগতির ডেটা অফার করে থাকে, তবে তার মেয়াদ বা ভ্যালিডিটি কিন্তু ২৮ দিনের চেয়ে কিছুটা কম (সাধারণত ১৮ বা ২১ দিন) হয়ে থাকে।
কোনটি আপনার জন্য সেরা? হিসেবটা খুবই সহজ। আপনার যদি ইন্টারনেটের প্রয়োজন কম থাকে এবং আপনি কম টাকায় বেশি দিনের জন্য (২৮ দিন) কলিং ও সিম অ্যাক্টিভ রাখার সুবিধা চান, তবে এয়ারটেলের ১৯৯ টাকার প্ল্যানটি আপনার জন্য সেরা বিকল্প। আর আপনি যদি কম টাকায় প্রতিদিন বেশি করে ডেটা ব্যবহার করতে চান এবং মেয়াদের দিন সংখ্যায় কিছুটা আপস করতে রাজি থাকেন, তবে জিও-র প্ল্যানটি আপনার কাজে আসবে। রিচার্জ করার আগে নিজের প্রয়োজনটা একবার ভালো করে ঝালিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।