মোদীর সঙ্গে ২০ রাজ্যের রথী-মহারথী কলকাতায়! আজ বিকেলে কোন ঐতিহাসিক শপথের সাক্ষী হতে চলেছে গোটা দেশ?

বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ এক নতুন সূর্যোদয়। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিলোত্তমার রাজপথ থেকে ব্রিগেডের বিশাল ময়দান— সর্বত্রই এখন সাজ সাজ রব। এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকতে ইতিমধ্যেই কলকাতা পৌঁছে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

ব্রিগেডে চাঁদের হাট
আজকের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কলকাতা কার্যত দেশের ‘রাজনৈতিক রাজধানী’তে পরিণত হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিজেপি শাসিত ও সহযোগী ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা ইতিমধ্যেই ব্রিগেডে উপস্থিত হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থেকে শুরু করে হিমন্ত বিশ্বশর্মা— জাতীয় রাজনীতির হেভিওয়েট নক্ষত্রদের উপস্থিতিতে ব্রিগেড আজ এক অভূতপূর্ব রূপ ধারণ করেছে।

শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল
রাজভবন সূত্রে খবর, প্রথা মেনেই রাজ্যপাল আর এন রবি নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন পাওয়ার পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার তুলে নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদলের অবসান ঘটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়েছে তিলোত্তমা
প্রধানমন্ত্রী এবং একঝাঁক ভিভিআইপি-র উপস্থিতির কারণে গোটা শহরকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ব্রিগেড গ্রাউন্ড পর্যন্ত কড়া নজরদারি চালাচ্ছে এসপিজি ও রাজ্য পুলিশ। সমর্থকদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। ‘সোনার বাংলা’ গড়ার যে ডাক বিজেপি দিয়েছিল, আজ সেই শপথকে বাস্তবায়িত করার প্রথম ধাপ শুরু হতে চলেছে এই ব্রিগেডের মাটি থেকেই।

বিকেলের দিকে নির্ধারিত সময়েই রাজভবন ও ব্রিগেডের সমন্বয়ে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা— কখন বাংলার মসনদে আনুষ্ঠানিকভাবে বসবেন প্রথম ‘পদ্ম’ শিবিরের সেনাপতি।