কলকাতার ১১-য় কি ১১-ই? ভোট দিয়ে বেরিয়েই বিরাট ভবিষ্যৎবাণী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের মহাযুদ্ধে আজ নজর তিলোত্তমায়। শহর কলকাতার ১১টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে আজ। আর এই আবহে ভোট দিয়ে বেরিয়েই তৃণমূলের জয়ের বিষয়ে বড় দাবি করলেন দলের প্রবীণ নেতা তথা ৬ বারের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গতবারের মতো এবারও কলকাতার সবকটি আসনেই ফুটবে জোড়াফুল।

কলকাতার ১১ আসনেই কি জয় নিশ্চিত? সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে (ANI) দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন,

“এবারও কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে ১১টিই পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থকদের শিকড় অনেক গভীরে। বাংলার মানুষ বহিরাগতদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে না।”

নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির বি-টিম’ কটাক্ষ এদিন শুধু জয়ের দাবি নয়, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন এই হেভিওয়েট নেতা। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে তিনি সরব হন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ‘বি-টিম’ হিসেবে কাজ করছে। সুদীপের কথায়, “আমি ৬ বার সাংসদ হয়েছি, কিন্তু কমিশনের এমন ভূমিকা আগে কখনও দেখিনি।”

মোদী-শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ রাজ্যে বিজেপি নেতাদের ঘনঘন আনাগোনা নিয়ে কটাক্ষ করে সুদীপ বলেন, আগামী ৭ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তিনি বাংলায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। তবে তাঁর সংযোজন, “যাঁরা গুজরাত থেকে এসে বাংলা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁরা যেন ফেরার বন্দোবস্তটাও আগেভাগে প্রস্তুত রাখেন।”

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়াকড়ি ও মমতা-স্তুতি শান্তিপূর্ণ ভোটের পক্ষে সওয়াল করলেও কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতি-সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেতা। তিনি মনে করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি মানুষের যে আবেগ ও সমর্থন রয়েছে, তা কোনো এজেন্সি বা বাহিনী দিয়ে টলানো সম্ভব নয়।

কলকাতার ১১টি আসনে কি সত্যিই অটুট থাকবে তৃণমূলের দুর্গ? নাকি এবার ফাটল ধরাবে গেরুয়া শিবির? উত্তর মিলবে ফলপ্রকাশের দিনেই।


আরও পড়ুন:

  • হাসপাতাল থেকে সোজা বুথে! অ্যাম্বুল্যান্সে করে এসে ভোট দিলেন মিতালী বাগ।

  • ভোট দিয়ে আঙুলের কালির ছবি পোস্ট করলেন রাজ-শুভশ্রী থেকে নুসরত-মিঠুন!