“আমার পাড়ার মেয়েদের মেরেছে!” বুথ থেকে বেরোতেই বিস্ফোরক মমতা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নালিশ আদালতের দ্বারে?

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার শেষলগ্নে পারদ চড়ল ভবানীপুরে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে নিজের ভোট দিয়ে বেরিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বাংলা কার দখলে যাচ্ছে। আত্মবিশ্বাসের সুর চড়িয়ে নেত্রী দাবি করেন, এবারও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই নবান্নে ফিরছে জোড়াফুল শিবির।
মমতা বনাম শুভেন্দু: ভবানীপুরের উত্তাপ
ভবানীপুর মানেই এবার মেগা লড়াই— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আঙুলে ‘ভিকট্রি সাইন’ (Victory Sign) দেখিয়ে মমতা বলেন:
“আমি জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ নিশ্চিত। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরাই সরকার গঠন করছি।”
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এদিন নজিরবিহীন ক্ষোভ উগড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ:
-
মহিলাদের ওপর হামলা: মমতার দাবি, “কাল রাত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। আমার পাড়ার লোকদের মেরেছে, মেয়েদের গায়ে হাত তুলেছে। এটা আদালত অবমাননা।”
-
বুথ দখলের চেষ্টা: নেত্রীর অভিযোগ, বুথে বুথে রাজ্য পুলিশকে সরিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথ ক্যাপচার করার চেষ্টা করছে।
-
অন্যান্য জেলায় অশান্তি: শুধু ভবানীপুর নয়, আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটেও কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে বলে তোপ দাগেন তিনি।
তীব্র প্রশ্নবাণ: “এটা কি ওদের ডিউটি?”
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা সাফ বলেন, “আমি সারা জীবনে এরকম ভোট দেখিনি। বুথে বুথে শুধু বাহিনী, রাজ্য পুলিশের দেখা নেই। এটা ওদের ডিউটি হতে পারে না।”
ভোটের দিন মমতার এই ‘ভিকট্রি সাইন’ এবং বাহিনীর বিরুদ্ধে করা কড়া মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোড়ন তৈরি করেছে। এখন প্রশ্ন হলো, দিদির এই আত্মবিশ্বাস কি ৪ মে ইভিএম-এর ফলাফলে প্রতিফলিত হবে? নজর থাকবে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে।
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার শেষলগ্নে পারদ চড়ল ভবানীপুরে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে নিজের ভোট দিয়ে বেরিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বাংলা কার দখলে যাচ্ছে। আত্মবিশ্বাসের সুর চড়িয়ে নেত্রী দাবি করেন, এবারও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই নবান্নে ফিরছে জোড়াফুল শিবির।
মমতা বনাম শুভেন্দু: ভবানীপুরের উত্তাপ
ভবানীপুর মানেই এবার মেগা লড়াই— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আঙুলে ‘ভিকট্রি সাইন’ (Victory Sign) দেখিয়ে মমতা বলেন:
“আমি জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ নিশ্চিত। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরাই সরকার গঠন করছি।”
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এদিন নজিরবিহীন ক্ষোভ উগড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ:
-
মহিলাদের ওপর হামলা: মমতার দাবি, “কাল রাত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। আমার পাড়ার লোকদের মেরেছে, মেয়েদের গায়ে হাত তুলেছে। এটা আদালত অবমাননা।”
-
বুথ দখলের চেষ্টা: নেত্রীর অভিযোগ, বুথে বুথে রাজ্য পুলিশকে সরিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথ ক্যাপচার করার চেষ্টা করছে।
-
অন্যান্য জেলায় অশান্তি: শুধু ভবানীপুর নয়, আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটেও কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে বলে তোপ দাগেন তিনি।
তীব্র প্রশ্নবাণ: “এটা কি ওদের ডিউটি?”
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা সাফ বলেন, “আমি সারা জীবনে এরকম ভোট দেখিনি। বুথে বুথে শুধু বাহিনী, রাজ্য পুলিশের দেখা নেই। এটা ওদের ডিউটি হতে পারে না।”
ভোটের দিন মমতার এই ‘ভিকট্রি সাইন’ এবং বাহিনীর বিরুদ্ধে করা কড়া মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোড়ন তৈরি করেছে। এখন প্রশ্ন হলো, দিদির এই আত্মবিশ্বাস কি ৪ মে ইভিএম-এর ফলাফলে প্রতিফলিত হবে? নজর থাকবে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে।