ভারতবর্ষের জওয়ানের এই কীর্তিতে ছিঃ ছিঃ করছে কুলটি! ১৪ দিনের জেল হেফাজতে অভিযুক্ত সিআইএসএফ সদস্য

শিউরে ওঠার মতো ঘটনা পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে। এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হলো সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স বা সিআইএসএফ (CISF)-এর এক জওয়ানকে। দেশ রক্ষা যাদের কাজ, তাদেরই একজনের এমন ঘৃণ্য আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা এলাকা। আসানসোল আদালত অভিযুক্তকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
ঘটনার নেপথ্যে কী?
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই জওয়ান কুলটির শীতলপুর ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকার এক নাবালিকাকে তিনি একা পেয়ে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্যাতিতার পরিবার তৎক্ষণাৎ কুলটি থানার দ্বারস্থ হয়।
-
অভিযোগ দায়ের: পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে ওই জওয়ানকে আটক করে।
-
আদালতে পেশ: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করে আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়।
-
কড়া নির্দেশ: বিচারক পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে ধৃত সিআইএসএফ জওয়ানের জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এলাকায় উত্তেজনা ও প্রশাসনিক তৎপরতা
এই ঘটনার পর শীতলপুর এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, “যাদের ওপর আমরা ভরসা করি, তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।” পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ।
সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষের তরফেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, আদালতের রায় এবং পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ওই জওয়ানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত এবং কঠিন বিভাগীয় পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নাবালিকার পরিচয় ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে পুলিশের তরফে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। পকসো (POCSO) আইনের ধারা অনুযায়ী এই মামলার তদন্ত এগোচ্ছে।