বিপ বিপ করে মোবাইলে ঢুকবে ২০ হাজার টাকা! রিটায়ারমেন্টের পর রাজার হালে থাকতে আজই জানুন এই সিক্রেট স্কিম

অবসরের পর জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস যাতে নিশ্চিন্তে কাটে, তার জন্য আমরা সকলেই একটা নিশ্চিত আয়ের উৎস খুঁজি। শেয়ার বাজারের ঝুঁকি এড়িয়ে যারা সরকারি গ্যারান্টিতে মোটা টাকা ঘরে তুলতে চান, তাঁদের জন্য সবথেকে সেরা বিকল্প হলো পোস্ট অফিসের সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS)। ২০২৬ সালের বর্তমান সুদের হার অনুযায়ী, এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে আপনি প্রতি মাসে প্রায় ২০,৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

কীভাবে মিলবে মাসে ২০,৫০০ টাকা? (হিসাবটা বুঝে নিন)

পোস্ট অফিসের এই স্কিমে বর্তমানে বার্ষিক ৮.২% হারে সুদ পাওয়া যাচ্ছে।

  • বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা: এই প্রকল্পে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা রাখতে পারেন।

  • সুদের অঙ্ক: আপনি যদি ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে বছরে মোট সুদের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২,৪৬,০০০ টাকা।

  • মাসিক আয়: এই ২,৪৬,০০০ টাকাকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে প্রতি মাসে আপনার আয়ের অঙ্ক দাঁড়াবে ঠিক ২০,৫০০ টাকা

কারা আবেদন করতে পারবেন?

  • যাঁদের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি।

  • যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী ৫৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ভিআরএস (VRS) নিয়েছেন।

  • অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীরা ৫০ বছর বয়সের পরেই এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

কেন এই স্কিমটি সেরা?

১. সরকারি সুরক্ষা: যেহেতু এটি কেন্দ্র সরকার চালিত প্রকল্প, তাই আপনার টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। ২. কর ছাড়: আয়কর আইনের ৮০সি ধারা অনুযায়ী ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স রিবেট পাওয়া যায়। ৩. মেয়াদ: এই স্কিমের মেয়াদ ৫ বছর। তবে চাইলে মেয়াদ শেষে আরও ৩ বছরের জন্য এটি বাড়ানো যায়। ৪. ত্রৈমাসিক পেমেন্ট: এই প্রকল্পের সুদ প্রতি তিন মাস অন্তর (এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর ও জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে) সরাসরি আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে যায়।

একনজরে জরুরি টিপস

আপনার যদি হাতে এককালীন বড় অঙ্কের টাকা থাকে (যেমন রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট), তবে অলস ফেলে না রেখে এই স্কিমে বিনিয়োগ করা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ সাধারণ ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটের (FD) তুলনায় এখানে সুদের হার অনেকটাই বেশি।