১০০০ কোটির সম্পত্তি থেকে বিলাসবহুল ল্যাম্বরগিনি: অবসরের ১২ বছর পরেও সচিনের রাজকীয় জীবন চমকে দেবে!

তিনি শুধু ২২ গজে বোলারদের শাসন করেননি, বিজ্ঞাপনের বাজার থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য— সর্বত্রই তিনি ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন এক দশকেরও বেশি সময় আগে, কিন্তু সচিন তেন্ডুলকরের ব্র্যান্ড ভ্যালু আজও আকাশচুম্বী। ১০০০ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তির মালিক সচিন আজও কীভাবে তাঁর সাম্রাজ্য ধরে রেখেছেন? দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।

আইপিএল থেকে বেতন: পাহাড়প্রমাণ আয়
কেরিয়ারের তুঙ্গে থাকার সময় সচিন ছিলেন বিসিসিআই-এর গ্রেড-এ চুক্তির সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ক্রিকেটার। আইপিএলের শুরুর দিকে (২০০৮-২০১০) মুম্বই ইন্ডিয়ান্স থেকে ৪ কোটি টাকা পেতেন তিনি। ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে সেই পারিশ্রমিক বেড়ে দাঁড়ায় ৮.২৮ কোটি টাকা। বয়সের ভারে নয়, বরং ব্যাট হাতে দাপিয়ে ৩৮ বছর বয়সেও ২০১১ বিশ্বকাপে ৪৮২ রান করে ভারতকে বিশ্বজয়ী করেছিলেন তিনি।

বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় আজও ‘কিং’:
অনেক ক্রীড়াবিদ অবসর নিলে ব্র্যান্ড ভ্যালু হারিয়ে ফেলেন, কিন্তু সচিন ব্যতিক্রম। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আর শৃঙ্খলার কারণে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রথম পছন্দ আজও তিনি। এমনকি সম্প্রতি Reddit-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নাম লিখিয়ে ডিজিটাল দুনিয়াতেও নিজের আধিপত্য প্রমাণ করেছেন সচিন।

বিলাসবহুল ম্যানশন ও রাজকীয় জীবন:
মুম্বইয়ের বান্দ্রা পশ্চিমে সচিনের রয়েছে একটি ৬,০০০ বর্গফুটের রাজপ্রাসাদ, যার বর্তমান বাজারমূল্য আকাশছোঁয়া। এছাড়া লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের কাছেও রয়েছে তাঁর একটি প্রিমিয়াম সম্পত্তি।

মারুতি ৮০০ থেকে ল্যাম্বরগিনি: গাড়ির শখ
সচিনের উত্থানের গল্প সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দেয় তাঁর গ্যারাজের বিবর্তন দেখলে। তাঁর জীবনের প্রথম গাড়ি ছিল একটি সাধারণ মারুতি ৮০০। আর আজ তাঁর গ্যারাজে শোভা পায়:

Lamborghini Urus S

Porsche 911 Turbo S

BMW M6 Gran Coupe

Range Rover এবং আরও অনেক দামী গাড়ি।

ক্রিকেট মাঠের সেই ছোটখাটো চেহারার ছেলেটি আজ ১০০০ কোটির সাম্রাজ্যের অধিপতি। তাঁর এই জীবনকাহিনি আজও কোটি কোটি মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার আর এক নাম।