“নির্বাচন কমিশনের বড় ঘোষণা: ভোটার আইডি ছাড়াও ভোট দেওয়া যাবে, সাথে রাখুন এই ১২টি নথির একটি”

বাংলার মহাযুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। আগামীকালই সেই হাইভোল্টেজ ভোট। কিন্তু আপনার কাছে কি ভোটার কার্ড (EPIC) নেই? বা কার্ড থাকলেও তাতে ছবি অস্পষ্ট? একদম চিন্তা করবেন না। ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে আপনি বঞ্চিত হবেন না। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, আপনার নাম যদি ভোটার তালিকায় থাকে, তবে ভোটার কার্ড ছাড়াও আরও ১২টি বিকল্প সরকারি পরিচয়পত্রের যে কোনো একটি দেখিয়ে আপনি নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

দেখে নিন সেই ১২টি বিকল্প নথির তালিকা:

১. আধার কার্ড (Aadhaar Card): বর্তমান সময়ে এটি সবচেয়ে সহজলভ্য পরিচয়পত্র। ২. মনরেগা জব কার্ড (MGNREGA Job Card): গ্রামীণ ভোটারদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। ৩. ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবই: যেখানে আপনার ছবি লাগানো আছে। ৪. প্যান কার্ড (PAN Card): আয়কর দপ্তরের দেওয়া এই কার্ডটিও বৈধ। ৫. ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License): পরিবহণ দপ্তরের দেওয়া বৈধ লাইসেন্স। ৬. পাসপোর্ট (Passport): ভারতীয় নাগরিকদের জন্য এটি অন্যতম শক্তিশালী পরিচয়পত্র। ৭. স্মার্ট কার্ড (Smart Card): শ্রম মন্ত্রকের অধীনস্থ আরএসবিওয়াই (RSBY) প্রকল্পের কার্ড। ৮. পেনশন নথি: ছবিযুক্ত পেনশনের কাগজ বা শংসাপত্র। ৯. পরিচয়পত্র (Service ID Card): কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং পিএসইউ-এর কর্মীদের জন্য ছবিসহ আই-কার্ড। ১০. এমপি বা এমএলএ-দের দেওয়া পরিচয়পত্র: জনপ্রতিনিধিদের জন্য ইস্যু করা অফিশিয়াল আইডেন্টিটি কার্ড। ১১. ইউনিক ডিসঅ্যাবিলিটি আইডি (UDID): সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের দেওয়া বিশেষ পরিচয়পত্র। ১২. স্বাস্থ্য বিমা স্মার্ট কার্ড: শ্রম মন্ত্রকের যোজনার অধীনে ইস্যু করা কার্ড।

বুথে যাওয়ার আগে জরুরি টিপস:

  • তালিকায় আপনার নাম থাকা বাধ্যতামূলক। নাম না থাকলে এই নথিগুলো দিয়েও ভোট দেওয়া যাবে না।

  • ভোটার স্লিপ (Voter Slip) শুধুমাত্র আপনাকে বুথ খুঁজে পেতে সাহায্য করে, এটি পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য হয় না।

  • পরিচয়পত্রটি আসল (Original) হতে হবে, জেরক্স বা মোবাইল ফোনের ছবি গ্রাহ্য নাও হতে পারে।

এক নজরে: গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে আপনার পরিচয়ই যথেষ্ট। তাই ভোটার কার্ড না থাকলেও ভয় নেই, তালিকায় নাম থাকলে নির্দিষ্ট নথিসহ পৌঁছে যান ভোটকেন্দ্রে।