ফিক্সড ডিপোজিট ফেল! সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিশেষ উপহার কেন্দ্রের, জানুন কীভাবে ঘরে আসবে মোটা টাকা

অবসর জীবনে আর্থিক দুশ্চিন্তা দূর করতে বড়সড় ধামাকা নিয়ে এল কেন্দ্র। শেয়ার বাজারের অস্থিরতার মধ্যে যারা নিরাপদ বিনিয়োগ খুঁজছেন, তাদের জন্য ‘সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম’ (SCSS) এখন হয়ে উঠেছে সেরা আয়ের উৎস। বর্তমানে এই প্রকল্পে সুদের হার রাখা হয়েছে ৮.২%, যা ব্যাঙ্কের সাধারণ ফিক্সড ডিপোজিটের তুলনায় অনেকটাই বেশি।
কেন এই স্কিম সেরা? দেখে নিন একনজরে:
-
বিপুল সুদ: বছরে ৮.২% হারে সুদ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ বিষয় হল, এই সুদের টাকা প্রতি তিন মাস অন্তর (ত্রৈমাসিক) সরাসরি বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।
-
বিনিয়োগের সীমা: সর্বনিম্ন ১,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এখানে জমা রাখা সম্ভব।
-
মেয়াদ: মূলত ৫ বছরের জন্য এই বিনিয়োগ করা যায়। তবে কেউ চাইলে মেয়াদের শেষে আরও ৩ বছর সময়সীমা বাড়িয়ে নিতে পারেন।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
সাধারণত ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে: ১. যারা স্বেচ্ছাবসর (VRS) নিয়েছেন, তারা ৫৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যেও বিনিয়োগ করতে পারেন। ২. প্রতিরক্ষা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য বয়সের নিয়ম আরও শিথিল।
ট্যাক্স বা কর ছাড়ের সুবিধা
আয়কর আইনের ৮০C ধারা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে বছরে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন, অর্জিত সুদের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে তাতে টিডিএস (TDS) প্রযোজ্য হতে পারে।
জরুরি প্রয়োজনে টাকা তোলা (Premature Withdrawal)
অনেকেই জানতে চান মেয়াদের আগে টাকা তোলা যায় কি না। নিয়ম অনুযায়ী:
-
বিনিয়োগের ১ বছরের মধ্যে টাকা তোলা যায় না।
-
১ থেকে ২ বছরের মধ্যে টাকা তুললে আমানতের ১.৫% জরিমানা দিতে হয়।
-
২ বছর পর টাকা তুললে জরিমানার পরিমাণ কমে হয় ১%।
এডিটরস টিপস: অবসর জীবনে যারা কোনো ঝুঁকি না নিয়ে প্রতি মাসে নিশ্চিত আয় চান, তাদের জন্য এই মুহূর্তে ভারতের বাজারে এর চেয়ে ভালো সরকারি বিকল্প খুব কমই আছে। দেরি না করে আজই আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে যোগাযোগ করতে পারেন।