দাঁতনে আক্রান্ত পদ্ম শিবির! প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ; শেষবেলার প্রচারে রক্তঝরল মেদিনীপুরে

প্রথম দফা নির্বাচনের ঠিক আগে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন। মঙ্গলবার প্রচারের শেষ দিনে বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। অভিযোগ, প্রচার সেরে ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা প্রার্থীর ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করে তাঁর হাত ভেঙে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আঙুলের তুলেছে গেরুয়া শিবির।

কী ঘটেছিল?

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি প্রার্থী দলীয় কর্মীদের নিয়ে প্রচার সারছিলেন। অভিযোগ, প্রচারের শেষ লগ্নে একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

  • বিজেপি প্রার্থীর ওপর সরাসরি আক্রমণ চালানো হয়।

  • দুষ্কৃতীদের মারে প্রার্থীর হাত ভেঙে যায় এবং বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন।

  • তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, প্রথম দফার ভোটে দাঁতনে নিশ্চিত হার বুঝেই সন্ত্রাস শুরু করেছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, “তৃণমূল আশ্রিত গুণ্ডারা পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছে যাতে তিনি শেষবেলার প্রচারে না বেরোতে পারেন।” ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বিজেপি।

পাল্টা দাবি ঘাসফুল শিবিরের

যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এটি বিজেপির ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের’ ফল। সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পেতেই ভোটের আগে বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করে নাটক করছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

থমথমে এলাকা

ঘটনার পর থেকেই দাঁতন জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুট মার্চ শুরু করেছেন। বিজেপি কর্মীরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।