যোগী-টাটা সাক্ষাৎ: গোরক্ষনাথ মন্দিরে এন চন্দ্রশেখরণ! উত্তরপ্রদেশের জন্য বড় কোনো চমক?

আধ্যাত্মিকতা ও আধুনিক প্রযুক্তির এক অনন্য মেলবন্ধনের সাক্ষী থাকল গোরক্ষপুর। বুধবার গোরক্ষনাথ মন্দিরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরণ। মহাযোগী গুরু গোরক্ষনাথের দর্শনের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের শিল্প ও শিক্ষাখাত নিয়ে দুই ব্যক্তিত্বের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণে পূজা ও রাজকীয় অভ্যর্থনা
মন্দিরে পৌঁছলে এন. চন্দ্রশেখরণকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে শাস্ত্রীয় বিধি মেনে পূজা সম্পন্ন করেন টাটা প্রধান। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত যোগী কমলনাথ তাঁকে ‘শিবগোরক্ষ’ নামাঙ্কিত অঙ্গবস্ত্র ও মন্দিরের পবিত্র প্রসাদ উপহার দেন। এই বিশেষ পূজা চলাকালীন সর্বক্ষণ উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।
পূর্ব ভারতের প্রথম ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-এর শুভ সূচনা
মূলত গোরক্ষপুরের মহারাণা প্রতাপ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি-তে স্থাপিত পূর্ব উত্তরপ্রদেশের প্রথম ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-এর উদ্বোধন করতেই শহরে এসেছিলেন চন্দ্রশেখরণ। প্রযুক্তির এই আধুনিক কেন্দ্রটি এই অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও কারিগরি শিক্ষায় বিপ্লব আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নাথপন্থের ইতিহাস ও মধ্যাহ্নভোজ
পূজা শেষে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ টাটা প্রধানকে মন্দির প্রাঙ্গণ ঘুরিয়ে দেখান। নাথপন্থের সুদীর্ঘ ইতিহাস, মহাযোগী গুরু গোরক্ষনাথের জীবনদর্শন এবং এই সম্প্রদায়ের সাধু-সন্তদের অবদান নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন তিনি। এরপর গোরক্ষপীঠের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এন. চন্দ্রশেখরণ।