কম ইএমআই-এর খোঁজে? একনজরে দেখে নিন দেশের সেরা ব্যাঙ্কগুলোর লেটেস্ট হোম লোন সুদের হার

একটি সুন্দর বাড়ি সবারই স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হলো গৃহঋণের সুদের হার। কারণ সুদের হার সামান্য কম-বেশি হলেই আপনার মাসিক কিস্তি (EMI) এবং ঋণের সামগ্রিক খরচে বড় পার্থক্য তৈরি হয়। বর্তমানে দেশের প্রধান ব্যাঙ্কগুলি কত হারে সুদ দিচ্ছে, তার একটি তুলনামূলক তালিকা নিচে দেওয়া হলো।
বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সুদের হারের তুলনা:
| ব্যাঙ্কের নাম | সুদের হার (বার্ষিক) |
| ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া | ৭.১% – ১০% |
| ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র | ৭.১% – ৯.৬৫% |
| ইউকো ব্যাঙ্ক | ৭.১৫% – ৯.২৫% |
| কানাড়া ব্যাঙ্ক | ৭.১৫% থেকে শুরু |
| পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক | ৭.২৫% থেকে শুরু |
| স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) | ৭.২৫% – ৮.৪৫% |
| এইচডিএফসি (HDFC) ব্যাঙ্ক | ৭.৭৫% থেকে শুরু |
| অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক | ৮% – ৯.১% |
| আইসিআইসিআই (ICICI) ব্যাঙ্ক | ৮.৫% – ৯.৮% |
কম সুদে ঋণ পাওয়ার ৩টি সিক্রেট ফর্মুলা:
১. শক্তিশালী ক্রেডিট স্কোর: আপনার ক্রেডিট স্কোর যত ভালো হবে (সাধারণত ৭৫০-এর উপরে), ব্যাঙ্ক আপনাকে তত কম সুদে লোন দিতে আগ্রহী হবে।
২. লোন-টু-ভ্যালু অনুপাত: সম্পত্তির মূল্যের তুলনায় লোনের পরিমাণ যত কম হবে, ঝুঁকি কম থাকায় সুদের হারও কম হতে পারে।
৩. সহ-আবেদনকারী: পরিবারের উপার্জনকারী সদস্যকে (যেমন স্ত্রী বা স্বামী) সহ-আবেদনকারী হিসেবে যুক্ত করলে লোনের অঙ্ক বাড়ার পাশাপাশি শর্তাবলী সহজ হয়।
আয়কর ছাড়ের সুবিধা:
গৃহঋণ নিলে আপনি কেবল বাড়িই পাচ্ছেন না, পাচ্ছেন বড় কর ছাড়ের সুবিধাও:
-
সুদের ওপর: বছরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায় (ধারা ২৪বি)।
-
আসলের ওপর: ঋণের মূল অর্থ বা প্রিন্সিপাল পরিশোধের জন্য বছরে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় মেলে (ধারা ৮০সি)।
সতর্কবার্তা:
লোন নেওয়ার আগে ব্যাঙ্কের ছোট অক্ষরে লেখা শর্তাবলী বা ‘টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস’ অবশ্যই ভালো করে পড়ুন। কিস্তি বা ইএমআই দিতে এক মাস দেরি হলেও আপনার ক্রেডিট স্কোর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে লোন পাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। প্রয়োজনে কোনো আর্থিক বিশেষজ্ঞ বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের পরামর্শ নিন।