“সব শিখে ফেললে সেদিনই হবে প্যাক-আপ”, কেন এমন বললেন যীশু সেনগুপ্ত?

টলিউড থেকে বলিউড, আর এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দক্ষিণী সিনেমাতেও—যীশু সেনগুপ্ত মানেই এখন এক ভার্সেটাইল পাওয়ার হাউস। সম্প্রতি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে তাঁর আগামী ছবি ‘ভূত বাংলা’ নিয়ে ইটিভি ভারতের মুখোমুখি হলেন অভিনেতা। আড্ডায় উঠে এল প্রথম হরর-কমেডি ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের অলৌকিক কাহিনী।

যীশু জানালেন, ‘ভূত বাংলা’র অফার আসে সরাসরি পরিচালক প্রিয়দর্শনের কাছ থেকে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, যখন চিত্রনাট্য লেখা হচ্ছিল, তখন থেকেই যীশু ছিলেন পরিচালকের প্রথম পছন্দ। যীশু বলেন, “স্ক্রিপ্টে চরিত্রের নাম দেওয়ার আগেই স্যার আমার নাম লিখে রেখেছিলেন, এটা আমার জন্য বিশাল সম্মানের।” ছবিতে নিজের চরিত্র ‘বসুদেব’ সম্পর্কে তিনি রহস্য বজায় রাখলেও জানিয়েছেন, এটি একটি বহুস্তরীয় চরিত্র। শুটিং সেটের অভিজ্ঞতায় যীশু মুগ্ধ টাবু, পরেশ রাওয়াল এবং অক্ষয় কুমারের সঙ্গে কাজ করে। অক্ষয়ের ‘প্র্যাঙ্কস্টার’ ইমেজের সাক্ষী থেকেছেন তিনিও। মজার ছলে বললেন, “আমি তো অক্ষয় পাজির দলেই ছিলাম, তাই রক্ষে! আমরা মিলে সহকারী কোরিওগ্রাফারের পিঠে কাগজ সেঁটে দিয়েছিলাম।”

ব্যক্তিগত জীবনে ভূতে বিশ্বাস না করলেও ‘পজিটিভ’ ও ‘নেগেটিভ’ শক্তিতে বিশ্বাসী যীশু। ‘দুর্গামতি’র শুটিংয়ের সময় ভোপালের এক পুরোনো প্রাসাদে অদ্ভুতুড়ে অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেন তিনি। তবে কেরিয়ার নিয়ে তাঁর দর্শন এখনও মাটির কাছাকাছি। অমিতাভ বচ্চন থেকে কাজল—সবার সঙ্গে কাজ করার পরেও যীশু মনে করেন তিনি অভিনয়ের মাত্র ২-৩ শতাংশ শিখেছেন। অভিনেতার কথায়, “যেদিন আমার মনে হবে সবকিছু শিখে ফেলেছি, সেদিনই আমার প্যাক-আপ হবে। শেখার প্রক্রিয়া চললে তবেই অভিনয় বেঁচে থাকে।”