ভবানীপুরে ‘শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ’ অফিসার? তৃণমূলের নালিশে কড়া জবাব দিল নির্বাচন কমিশন!

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। একদিকে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী—এই মহারণ ঘিরে পারদ চড়ছে প্রতিনিয়ত। এর মধ্যেই ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে নিয়োগ করা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সুরজিৎ রায়কে ‘শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ’ তকমা দিয়ে তাঁকে সরানোর দাবিতে দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল।
বুধবার এই বিতর্কের সরাসরি জবাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, “সরকারি আধিকারিক যে কেউ রিটার্নিং অফিসার হতে পারেন। কে কার লোক, সেই নিরিখে আমরা কাজ করি না।” এমনকি কমিশন প্রয়োজনে উপাচার্যদেরও ভোটের কাজে ডাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, চাকরিচ্যুত কেউ কোনওভাবেই ভোটের ডিউটি করতে পারবেন না।
এদিকে নন্দীগ্রামের সভা থেকে পাল্টা হুঙ্কার ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের দায়িত্ব আপনারা নিন, ভবানীপুরে আমি দেখে নেব কীভাবে চরকি কাটাতে হয়।” মুসলিম ভোট প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “আমি কখনও বলিনি মুসলিম ভোট চাই না, বলেছি আমি মুসলিম ভোট পাইনি।” ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু দাবি করেন, যে ৭৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে তার ৯০ শতাংশই ছিল তৃণমূলের ‘ভুয়া’ ভোট।