OMG! প্রতিরাতে শ্রদ্ধার কাটা মাথায় মেকাআপ করিয়ে চড় মারতেন আফতাব

লিভ-ইন প্রেমিকা শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে হত্যার পর মরদেহের ৩৫ টুকরো ফ্রিজে রাখেন আফতাব আমিন পুনওয়াল। সেই ফ্রিজে রেখেছিলেন শ্রদ্ধার কাটা মাথাও। তবে আফতাবকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, প্রতিরাতে শ্রদ্ধার কাটা মুন্ডু ফ্রিজ থেকে বের করতেন আফতাব। সেটাকে মেক আপ করাতেন। আবার সেই কাটা মুন্ডুর সঙ্গে কথা বলতে বলতে রাগ হলে তার গালে চড়ও মারতেন।

পুলিশ জানতে পেরেছে, শ্রদ্ধাকে হত্যার পর ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে আরো এক তরুণীর সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন আফতাব। যখনই ঐ তরুণীকে ছতরপুরের বাড়িতে ডেকে আনতেন, তার আগেই শ্রদ্ধার কাটা মুন্ডু ফ্রিজে রেখে দিতেন। তার শরীরের টুকরোগুলো আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখতেন। শুধু তাই-ই নয়, যেখানে শ্রদ্ধার দেহাংশ রাখতেন, সেখানে পরে সালফার হাইপোক্লোরিক অ্যাসিড দিয়ে পরিষ্কার করে দিতেন, যাতে ফরেন্সিক তদন্তের সময় কোনো প্রমাণ না মেলে।

এক প্রতিবেশী সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রতিরাতে আফতাবের ঘর থেকে জলের পাম্প চালানোর শব্দ আসত। সেটা নিয়মিত ছিল। প্রতিবেশীদের দাবি থেকে পুলিশের ধারণা, যেহেতু রাতে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে কাটতেন আফতাব, সেই শব্দ যাতে বাইরে কোনোভাবে না পৌঁছায় তাই ঐ কাজ করার সময় পানির পাম্প চালিয়ে দিতেন। প্রতিবেশীরা আরো জানান, আফতাব প্রতিবেশীদের সঙ্গে বেশি কথা বলতেন না। সন্ধ্যায় ঘরে ঢুকতেন। অনলাইনে খাবার আনাতেন।

পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ১৮ মে শ্রদ্ধাকে হত্যার পর ১৯ তারিখ সকালে কাছের একটি বাজারে যান আফতাব। সেখান থেকে ৩০০ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন। ক্রেডিট কার্ডে ফ্রিজের ২৩ হাজার ৫০০ টাকা বিল মেটান তিনি। তারপর সেখান থেকে ছুরি, কাঁচির দোকানে যান। সেখান থেকে ছুরি কেনেন। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্লাস্টিকের ব্যাগও কেনেন। তবে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের প্রায় মাস পর গত ১২ নভেম্বর আফতাবকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *