অন্ত্যোদয় থেকে আত্মনির্ভর ভারত: পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের স্বপ্ন সফল করছেন মোদী!

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়—এমন এক নাম যিনি ভারতীয় রাজনীতিকে দিয়েছিলেন এক নতুন দিশা। তাঁর ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’ এবং ‘অন্ত্যোদয়’ দর্শন আজও ভারতের জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়ে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব এক বিশেষ নিবন্ধে তুলে ধরেছেন, কীভাবে পণ্ডিতজির আদর্শকে পাথেয় করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে।
অন্ত্যোদয়: শেষ সারির শেষ মানুষের জয় পণ্ডিত দীনদয়াল বিশ্বাস করতেন, উন্নয়নের সুফল যতক্ষণ না সমাজের শেষ সারিতে থাকা শেষ মানুষটির কাছে পৌঁছাচ্ছে, ততক্ষণ তাকে প্রকৃত উন্নয়ন বলা যায় না। এই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছিল ‘অন্ত্যোদয়’। আজ মোদী সরকারের “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ” মন্ত্র আসলে সেই দর্শনেরই আধুনিক প্রতিফলন। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিশ্বের শীর্ষ শক্তিতে পরিণত করার যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তার মূলে রয়েছে পণ্ডিতজির শেখানো আত্মমর্যাদা ও জাতীয়তাবাদ।
মধ্যপ্রদেশের উদ্যোগ: ২০২৬ কৃষক কল্যাণ বর্ষ মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব জানান, পণ্ডিত দীনদয়াল কৃষিকে অর্থনীতির মেরুদণ্ড মনে করতেন। সেই পথ অনুসরণ করেই মধ্যপ্রদেশ সরকার ২০২৫-২৬ সালকে ‘কৃষক কল্যাণ বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। রাজ্যের সেচ এলাকা ১ কোটি হেক্টরে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। কেন-বেতোয়া এবং পার্বতী-কালিসিন্ধ-চাম্বল নদী সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫টি জেলার কৃষি জমিতে বিপ্লব আসতে চলেছে। এছাড়া ৩০ লক্ষ কৃষককে সৌরবিদ্যুৎ পাম্প দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। পণ্ডিতজির স্বপ্ন আজ মধ্যপ্রদেশের প্রতিটি গ্রামে বাস্তবের রূপ পাচ্ছে।